_ Tips for Speaking English By Alia Rawshan Banu (DIC) September'21-

5 Tips for Speaking English Fluently

Since speaking is an essential part of a second language learning, effective communication in a second language is very important in all spheres of life. To acquire fluency in target language, for example in English, teachers and students need to pay great attention to meaningful communication as more as possible. With this aim, various speaking activities can contribute a great deal to students in developing basic interactive skills necessary for life. These activities make the students more active and enthusiastic in learning process and at the same time, make their learning more effective and fun for them.

Speaking out loud in front of others, especially in a second or foreign language like English, can be nerve-wracking for anyone. That is why, it is important to follow some tips or means for achieving the ability to communicate clearly and effectively in English. Students can be given some tasks that foster critical thinking and quick decision making.

Here are some important points for speaking English which can be helpful for the students:

  • First of all, students have to learn the vocabulary that they need in speaking activity. Students can be provided a list of words related with a given topic and then encourage them to speak, to discuss with their partners, to share their opinions and ideas.
  • There is no need to correct students’ pronunciation and grammatical mistakes while they are speaking. Correction will distract the student from his or her speech.
  • On a given topic, students can produce ideas in a limited time. Depending on the context, either individual or group, brainstorming is effective and learners generate ideas quickly and freely. Looking at these type of pictures, students can generate the ideas of their childhood memories and share in groups.
  • Students can be given Information Gap activity which is supposed to be working in pairs. One student will have the information that other partner does not have and the partners will share their information. Here each partner plays an important role because the task cannot be completed if the partners do not provide the information the others need. These activities are effective because everybody has the opportunity to talk extensively in the target language.
  • Students can stand in front of the class in pairs/groups and share their ideas by completing the gaps given in the pictures.

These are some of the strategies by which students can be able to share their views and opinions in English for effective communication and build confidence in themselves. They will also learn how to express themselves in polite ways while disagreeing with others.

To sum up, English is spoken all over the world and nowadays in Communicative Language Teaching, emphasis is given on learning to communicate in the target language instead of emphasizing the mastery of grammar.

দুটি স্বরধ্বনি: ই ঈ

দুটি স্বরধ্বনি: ই ও ঈ

দুটি স্বরধ্বনি: ই ও ঈ

কার-চিহ্ন: হ্রস্ব-ই = ি ,দীর্ঘ-ঈ = ী।

কোথায় লিখব হ্রস্ব-ই, কোথায় দীর্ঘ-ঈ ?

কোনটা শুদ্ধ – ইদ না ঈদ ? বাড়ি না বাড়ী ?  কোনটা অশুদ্ধ – টিকা না টীকা ? কৃতি না কৃতী ? এগুলো বাংলা ভাষা-শিক্ষার্থী ও সাধারণ শিক্ষিত বাঙালিদের কাছে ধাঁধা।

প্রথমেই বলি, উচ্চারণ ভুল হলে বানান ও অর্থের বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। যেমন- ‘আমরা’ ও ‘আমড়া’, ‘আবরণ’ ও ‘আভরণ’, ‘গা’ ও ‘গাঁ’। উচ্চারণ অভিন্ন, কিন্তু বানান ও অর্থ ভিন্ন, এমন শব্দও দুর্লভ নয়। যেমন- ‘কালি’ ও ‘কালী’, ‘নিচ’ ও ‘নীচ’, ‘ধ্বনি’ ও ‘ধনী’। আবার উচ্চারণ, বানান ও অর্থ অভিন্ন, এমন শব্দও আছে। যেমন- জেলা, সে, তিনি, পাকা, পোকা, ব্যাধি। মূলকথা হলো, বাংলা শব্দের উচ্চারণের সঙ্গে বানানের সাদৃশ্য খুব কম।

বাংলা ভাষায় বহু সংস্কৃত শব্দ ব্যবহৃত হয়। আমরা এগুলোকে বলি ‘তৎসম’ শব্দ। এ জাতীয়  শব্দে আমরা কখনো ‘ই’, কখনো ‘ঈ’, কখনো-বা যুগপৎ ‘ই’ ও ‘ঈ’ লিখি। যেমন-

১. হ্রস্ব-ই  

অঞ্জলি (শ্রদ্ধাঞ্জলি), অতিথি (-শালা, – পাখি), অপিনিহিতি, অভিষিক্ত, অভিসন্ধি, অধিপতি, উল্লিখিত, কোটিপতি, ‍গিরি (-পথ), তিতিক্ষা (ত্যাগ আর -), তিথি (পূর্ণিমা -), দিবানিশি, দিগ্বিদিক, দ্বিরুক্তি, নিরবিচ্ছিন্ন, নির্দেশিকা, নিরামিষ, নিরিবিলি, নির্লিপ্ত, নিষিদ্ধ (- পণ্য), নিষ্কৃতি, নিবিঢ় (- কর্মসূচি), নিশ্চিদ্র (- নিরাপত্তা বেষ্টনী), নিশ্চিহ্ন, পরিস্থিতি, পরিধি, প্রতিলিপি, প্রতিনিধি, প্রতিকৃতি (বঙ্গবন্ধুর -), বিনিদ্র) (- রজনী), বিধিলিপি, বিনিয়োগ, বিকৃতি (ভাষার -), বিভূতি (-ভূষণ), বিভক্তি, বিস্মৃতি, যুধিষ্ঠির।

২. দীর্ঘ-ঈ

আত্মজীবনী, উদীচী (- শিল্পীগোষ্ঠি), কর্মজীবী (- মহিলা হোস্টেল), ক্ষীণ (- আলো), গ্রীষ্ম (-কাল), গ্রহীতা (ঋণ-), জয়ন্তী (জন্ম-), জীর্ণশীর্ণ (অসুস্থ – শরীর), তীর্থ (মরু- হিংলাজ), তীব্র (- ক্ষোভ), তীক্ষ্ণ (- দৃষ্টি), তপস্বী (বিড়াল -), দীর্ঘস্থায়ী, নীরব (- পাঠ), নীরস (- বচন), নীলাম্বরী (- শাড়ি), পরীক্ষার্থী, প্রতীক্ষা (দীর্ঘ -), প্রবীণ (- হিতৈষী সংঘ), বর্ষীয়সী (- নারী), বাগ্মী (বিশিষ্ট -), বিবরণী (Statement), বীভৎস (- দৃশ্য), ভাগীরথী (- নদী), শশী (- লজ, রবি-), শীঘ্র (শুভস্য শীঘ্রম), মনীষী (- সক্রেটিস), মহীয়সী (- রোকেয়া), শ্রীমতী (- ইন্দিরা গান্ধী), লক্ষ্মী (- চক্রবর্তী, -পুর), সমীচীন, স্বামী-স্ত্রী।

৩.  হ্রস্ব-ই ও দীর্ঘ-ই

অদ্বিতীয়, অগ্নিপরীক্ষা, অভিবাসী, আশীবিষ, কামিনী, কীর্তি, কিন্নরী, কিরীট, গান্ধীজি, গীতাঞ্জলি, গীতি (পল্লি-), জীবিকা (জীবন ও -), জীবিত, জ্যোতিষী (রাজ-), ত্রিপদী, ত্রিমোহিনী, ত্রিবেদী (রামেন্দ্রসুন্দর -), দ্বিমুখী (- আচরণ), ত্রিমুখী (- সংঘর্ষ), দীপ্তি (-মান লেখক), দুর্বিনীত (- কাল), নিরীহ (- প্রাণী), নির্বাহী (- পরিচালক), নীলমণি (-লতা),  দধীচি, ধরিত্রী (- সম্মেলন), নামীদামি (- ইশকুল), নীলিমা (বিধ্বস্ত -), নাতিদীর্ঘ (- বর্ণনা), নির্ঝরিণী, নিমীলিত (- চক্ষু), নিপীড়িত (বঞ্চিত ও -), পরীক্ষিত, পরিসীমা, বাহিনী (মুক্তি-), প্রতিদ্বন্দ্বী, প্রতিবন্ধী, পিপীলিকা, পুনর্মিলনী, বহুব্রীহি, বিপত্নীক, বিদুষী (- রাজকন্যা), বার্ষিকী (জন্ম- শত-), বাল্মীকি (মহর্ষি -), বিদেশিনী,  বিভীষিকা (-ময় ২১ আগস্ট), বিলম্বী (- ফল), ভীতি (রোগ-), বুদ্ধিমতী, বিভীষণ (ঘরভেদী -), মন্দাকিনী, মরীচিকা (আশা -), মহিষী (- কর্ণাবতী), রীতিনীতি, সম্প্রীতি, সাময়িকী, স্বীকৃতি, সীমিত, স্রোতস্বিনী।

উল্লেখযোগ্য যে, এগুলোতে সংস্কৃত ব্যাকরণ ও অভিধানের বানানরীতি অনুসৃত হয়েছে। কিন্তু বাংলা অ্যাকাডেমির সূত্রমতে, যে-সব সংস্কৃত শব্দে ই/ঈ, উ/ঊ উভয়ই সিদ্ধ, সেইসব শব্দে ই, উ ব্যবহৃত হবে। অর্থাৎ আধুনিক বাংলা বানানরীতি ও পদ্ধতিতে বিকল্প বর্জিত হয়েছে। যেমন-

ই/ঈ > ই

অঙ্গুলি (-স্পর্শ, বৃদ্ধাঙ্গুলি), অক্ষি (মীনাক্ষি), অটবি, অন্তরিক্ষ, অবনি, আবলি (শর্তাবলি, নিয়মাবলি), আলি (বর্ণালি, স্বর্ণালি), আরি (পূজারি, দিশারি), ঔষধি (মহৌষধি), কাকলি (পাখির কল-), কিংবদন্তি (জীবন্ত – ), কুপি, কুহেলি (শীতের -), খঞ্জনি, গহিন (- বালুচর), গণ্ডি (ইশকুলের -), গোষ্ঠি (হালদার-), চিৎকার (আর্ত -), চুল্লি (গ্যাস-), ঝিল্লি (-মুখর সন্ধ্যা), তরি (জীবন-), তরণি (ভাসাও -), ধমনি (শিরা ও -), ধরণি (- দ্বিধা হও), ধূলি (-কণা, গো-), পঞ্জি (দিন-, বর্ষ-), পদবি (পদ ও -), পন্থি (রাম-, মোল্লা-), পল্লি (-বধূ), প্রণালি (-বদ্ধ, রন্ধন-), বিপণি (-বিতান), বেদি (শহিদ-), বীথি (খেজুর-), বেণি (সর্পিল -), ভঙ্গি (অঙ্গ-, ভ্রু-), মসি (অসির চেয়ে – বড়), মঞ্জরি (পুষ্প-), মাঢ়ি (>মাড়ি), মৌলি (তুষার-), যুবতি (সদ্য -), রাখি (-বন্ধন), লহরি (সুর-), শ্রেণি (-কক্ষ, বৃক্ষ-), সঙ্গিন (রোগীর তো – অবস্থা), সরণি (বিজয়-), সারণি (Table), সূরি (পূর্ব-, উত্তর-), সূচি (কর্ম-), শাশ্মলি (-তরু)।

তৎসম শব্দে ই, ঈ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু সূত্র গুরুত্বপূর্ণ। যেমন-

১. স্বরসন্ধিজাত শব্দ

 ই + ই = ঈ

অতি + ইত =অতীত, অভি + ইষ্ট = অভীষ্ট, অতি + ইন্দ্রিয় = অতীন্দ্রিয়, প্রতি + ইতি = প্রতীতি।

ই + ঈ = ঈ

অভি + ইপ্সা = অভীপ্সা, অধি + ঈশ্বর = অধীশ্বর, পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা, প্রতি + ঈক্ষা = প্রতীক্ষা।

২. সমাসবদ্ধ শব্দ

ঈ > ই

কালীর দাস = কালিদাস, কালীর দহ = কালিদহ, পক্ষীর কুল = পক্ষিকুল, মন্ত্রীর সভা = মন্ত্রিসভা, প্রাণীর জগৎ = প্রাণিজগৎ, প্রাণীর বিদ্যা = প্রাণিবিদ্যা, প্রাণীর কুল = প্রাণিকুল, শশীর ভূষণ = শশিভূষণ, স্বামীর গৃহ =স্বামিগৃহ।

৩. প্রত্যয়সিদ্ধ শব্দ

ঈ + ত্ব > ই + ত্ব

একাকী + ত্ব = একাকিত্ব, কৃতী + ত্ব = কৃতিত্ব, দায়ী + ত্ব = দায়িত্ব, স্থায়ী + ত্ব = স্থায়িত্ব, স্বামী + ত্ব = স্বামিত্ব, সতী + ত্ব = সতিত্ব ।

ঈ + তা > ই + তা

উপযোগী + তা = উপযোগিতা, প্রার্থী + তা = প্রার্থিতা, প্রতিযোগী + তা = প্রতিযোগিতা, সহযোগী + তা = সহযোগিতা, সহমর্মী + তা = সহমর্মিতা।

ঈ + গণ > ই + গণ

আইনজীবী + গণ = আইনজীবিগণ, কর্মী + গণ = কর্মিগণ, কর্মচারী + গণ = কর্মচারিগণ, পরীক্ষার্থী + গণ = পরীক্ষার্থিগণ, প্রার্থী + গণ = প্রার্থিগণ।

তৎসম শব্দ বাদে বাকি সবই অ-তৎসম শব্দ। এ জাতীয় শব্দে ‘ই’ স্বীকৃত। যেমন-

১. অর্ধ-তৎসম শব্দ

গৃহিণী > গিন্নি (-পনা, -মা), ভগিনী > ভগ্নি (- নিবেদিতা), শ্রী > ছিরি (লোকটার কথার কী -), বিশ্রী > বিচ্ছিরি, প্রীতি > পিরিতি (বড়র – বালির বাঁধ)।

২. তদভব শব্দ

আকর্ষী > আঁকশি, কর্ণধারী > কাণ্ডারি (- হুশিয়ার), ক্রীড় > কেলি (জল-), কুম্ভীর > কুমির, গবী > গাভি (- বৃত্তান্ত), গন্ত্রী > গাড়ি (মোটর-), চক্র > চরকি, তিক্ত > তিতি (-বিরক্ত), দীর্ঘিকা > দিঘি, দেহলী > দেউড়ি, প্রতিবেশী > পড়শি, পক্ষী > পাখি, বংশী > বাঁশি (মেঠো -), বাটী > বাড়ি (বসত-, রাজ-), বিক্রয় > বিক্রি, বীজ  > বিচি (শিমের -), রাজ্ঞী > রানি (- মৌমাছি, মক্ষী-), শাটী > শাড়ি (- কুটির), শিম্বী > শুঁটি (মটর-), শীর্ষ > শিষ (ধানের -), সপত্নী > সতিন, হস্তী > হাতি (-বান্ধা, -শুঁড়),  স্ফুলিঙ্গ > ফুলকি,  স্থলী (Bag) > থলি (পিত্ত-), হীরক > হিরা, হুঙ্কার > হুমকি।

৩. দেশি শব্দ

উড়ি (-ধান), কুড়ি (২০), খড়ি (পাট-), খিড়কি (- দরজা), খুপি, খিলান, খুঁটি খুকি (ছোট্ট -), ঘুড়ি (- উৎসব), ঘটি (বাটি), চিংড়ি, চুঙি (ইটভাটার -), চুড়ি, ছড়ি (ফটিক-), ছিপি, ঝিঙা, ঝিলিক, ঝুলি (ঠাকুরমার -), ঝুপড়ি, টিপ (সিন্ধুর -/সিংহল দ্বীপ), টিলা (আলু-), টুকরি, ঢিবি (উইয়ের -), ডিঙি, ঢিল, থুতনি, দড়ি, ধুতি, ধিঙ্গি (> ধিঙি) , নেংটি, পাতিল, বিচালি, বঁটি, বাখারি (বাঁশের -), ভিটা, মুড়ি, মুড়কি, মেকি।

৪. বিদেশি শব্দ

আরবি শব্দ

আর্জি, ইহুদি, ইবলিস, উজির, উকিল, ওয়াজি, ওয়ারিশ, কাজি, কারসাজি, খালি (- ঘর), কোরবানি, খালাসি, খাসি (- মোরগ), খতিব, খলিফা, গরিব (গরিবে নেওয়াজ), গাফিলতি, গায়েবি, জরিপ, জরুরি, জলদি, জমিন (মানব-), জামিন, জিনিস, জিম্মাদার, তদারকি, তসবি, তাগিদ, দলিল, দাবি, নিমরাজি, নজির, নসিব, নসিহত, ফরিয়াদ, ফজিলত, বাকি, বেদুইন, মনিব, মর্জি, মঞ্জুরি (- কমিশন), মৌলবি, মিসকিন, মুরব্বি, শরিক, সুন্নি (- মুসলিম), হিজরি (- সন), হাবশি, হিসাব, হিস্যা।

ফারসি শব্দ

আমদানি, কারিগর, কাবিননামা, কারচুপি, কিশতি, খরিদ, খাকি (- পোশাক), খুন-খারাবি, খুশি, জমিদার, জিন্দা, জিঞ্জির, জিন্দিগি, দর্জি, দরিয়া (দিল-), দরকারি, দরদি, দেরি (পথে হলো -),  নিশান, নবিশ (শিক্ষা-), ফন্দি, ফিরিঙ্গি, বন্দেগি, বখশিস, বিবি (- মরিয়ম), বেশি, মালিশ, মির (-পুর), মুফতি, মুরগি, রপ্তানি, শিরনি, শেমিজ, সবজি, সরকারি, সুফি (-সাধক), হাজি (-পাড়া)।

ইংরেজি শব্দ

আর্দালি, এজেন্সি, কফি (- হাউস), কফিন, কিডনি, কেবিন (ঘোষ -), কোম্পানি (ইস্ট ইন্ডিয়া -), কেরোসিন, কৌঁসলি, চিমনি, জার্নি, জার্সি জেলি, জেটি, টিকিট, টিফিন, ট্রফি, ডায়রি, ডিশ, ডেপুটি, নোটিশ, পানসি, ফ্রি, ফেরি (-ঘাট), বান্ডিল, ব্রিটিশ, ব্যাটারি, রাবিশ, লাইব্রেরি, লেডি (- কেনি), স্টিমার, স্ট্রিট (র‌্যাংকিন -)।

অন্যান্য ভাষার শব্দ

পর্তুগিজ:  আলপিন, আলমারি, ইস্ত্রি (Iron), কামিজ, কেরানি, গির্জা, দাবি, টুপি (কিস্তি -), নিলাম, পাউরুটি,    

পাদ্রি, পিস্তল, পিপা (Dram), ফিতা, বালতি, মিস্ত্রি (কাঠ-), যিশু (Jesu)।

তুর্কি: উর্দি, কুলি, বাবুর্চি।

চিনা: এলাচি, চিনি, লিচু।

হিন্দি: কাহিনি, খিচুড়ি, গিরগিটি, চিঠি, চুটকি, পাগড়ি, রুপিয়া, লাড়কি।

পাঞ্জাবি: চাহিদা, শিখ।

অন্যান্য: কিরিচ (মালয়ি), নাৎসি (জার্মান), বর্গি (মারাঠি), লুঙ্গি (বর্মি), স্পুটনিক (রুশ)।

বাংলা শব্দের বানানে হ্রস্বস্বর ও দীর্ঘস্বর থাকলেও উচ্চারণে সর্বত্রই হ্রস্বস্বর (ই, উ) স্বীকৃত। এক্ষেত্রে একটিমাত্র ব্যতিক্রম দেখা যায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর উদাহরণ দিয়েছেন-

তুমি কি খেয়েছ ?

তুমি কী খেয়েছ ?

এখানে ‘কি’ প্রশ্নসূচক অব্যয় এবং ‘কী’ প্রশ্নসূচক সর্বনাম। কী মিষ্টি আম! (বিশেষণ)

সবশেষে কয়েকটি সূত্র উল্লেখ করা প্রয়োজন। ১. তৎসম শব্দের বানানে দীর্ঘস্বর (ঈ, ঊ)-এর ব্যবহার সীমাবদ্ধ। ২. ড. মুহম্মদ এনামুল হকের মতে- তদভব শব্দ (৬০%) বাংলা ভাষার প্রাণ, আর তৎসম শব্দ (২৫%) অলংকার। -মন্তব্যটি যুক্তিপূর্ণ। ৩. শব্দের উৎস ও উৎসভিত্তিক শ্রেণি সম্পর্কে জানাটা জরুরি। এবং তা থেকে আমরা বাংলা শব্দের উচ্চারণ ও বানানে ই, ঈ ব্যবহার সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পেতে পারি।

মমিনুল হক

সহকারী অধ্যাপক

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ

কীভাবে বাংলাদেশে শুরু করবেন একটি NGO এর কাজ by Sazzad Hossain

কীভাবে বাংলাদেশে শুরু করবেন একটি NGO এর কাজ ?

আমাদের দেশে অনেকেই আছেন যারা বিভিন্ন ধরনের এনজিও প্রতিষ্ঠা করতে চান। কিন্তু তাদের অনেকেই যানেন না কিভাবে আইনগত বৈধতার মাধ্যমে একটি এনজিও এর কার্যক্রম শুরু করতে হয়।আসুন জেনে নেই কিভাবে বাংলাদেশে একটি এনজিও এর কাজ শুরু করবেন।

বাংলাদেশে এনজিও এর কার্যক্রম অথবা কোন স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম পরিচালনা করার উদ্দেশ্যে দেশি কিনবা বিদেশি তহবিল পরিচালনা করার জন্য উক্ত সংস্থাকে প্রথমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট নিবন্ধিত হতে হবে এবং সরকারের নিয়ম কানন মেনে চলতে হবে।

কৃষি, ত্রাণ, মিশনারি, শিক্ষা, সাংস্কৃতিক, বৃত্তিমূলক, সামাজিক, কল্যাণ ও উন্নয়নমূলক সেবা প্রদানের জন্য যে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তার নিজের ইচ্ছামত সংস্থা (আংশিক বা সম্পূর্ণ বাহ্যিক সহায়তার মাধ্যমে)
প্রতিষ্ঠা করতে পারবে।তবে অবশ্যই সেটা সরকার অনুমোদিত হতে হবে।

একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারী সংস্থা (আইএনজিও) বা স্থানীয় ভিত্তিক বেসরকারী সংস্থা (এনজিও) নিবন্ধিত হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি আবেদনপএ দাখিল করতে হবে। এনজিও বিষয়ক ব্যুরো (এনজিওএবি) (যা বাংলাদেশের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে) এবং গৃহায়ন মন্ত্রণালয় হচ্ছে এই বিষয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।মূলত এদের কাছেই আবেদন দাখিল করতে হয়।

প্রথমত এনজিও বিষয়ক ব্যুরো (এনজিওএবি)এর নিকট রেজিস্ট্যেশন করতে হবে। তারপর নির্ধারিত ফরমে এনজিওএবি এর প্রয়োজনীয় ফি এবং আনুসাংগিক সকল প্রকার নথিপএ যেমন কার্যকলাপ প্রতিবেদন, অভিপ্রায় পত্র, সংবিধান, রেজিস্ট্রেশন ফি ইত্যাদি এবং ট্রেজারি চালানের অনুলিপি জমা দিয়ে আবেদন করতে হবে।

এনজিওএবি তে আবেদন জমা দেওয়ার পর এটি পরিক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য সামাজিক কল্যান মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠানো হবে ।নথিপএ গ্রহণের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পুলিশ ও বিশেষ গোয়েন্দা বাহিনীর ধারা আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তথ্য
তদন্ত করে একটি তদন্ত রিপোট পাওয়ার পর তা এনজিওএবি কে দেওয়া হলে তারাপর্যালোচনার ধারা ডকুমেন্ট চুরান্ত করে সামনে আগাবেন।

আবেদন অনুমোদনে যে বিষয় গুলো মন্ত্রণালয় বিবেচনা করবেন তা হলোঃ-
নিবন্ধীকরণের জন্য এনজিও টি কোন প্রকার রাষ্ট্র-বিরোধী কাজ কিনবা সমাজ বিরোধী কাজ কিনবা কোন অপরাধ মূলক কাজের সাথে জরিত কি না।আবেদন কারী সংস্থার সদস্যের মধ্যে পারস্পারিক সম্পর্ক কেমন,তাদের সামাজিক মর্যাদা,সামাজিক কল্যান মূলক কর্মকান্ড,পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা, তাদের নিজস্ব অফিস আছে কিনা ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করে কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিবে
আবেদন অনুমোদন দিবে কি না।যদি আবেদন অনুমোদিত হয় তাহলে উক্ত এনজিও টি বাংলাদেশে কাজ করার অনুমতি পাবে।অন্যথায় তা বাতিল বলে গন্য হবে।

উক্ত কার্যক্রম সম্পূর্ণ করবে ৯০ কার্যদিবসে।তবে ক্ষেত্রবিশেষে এটি ৬ মাস ও লাগতে পারে।

সাজ্জাদ হোসেন

প্রভাষক

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ

Daffodil College Alumni Md. Ali Emam(05-06)

চীনের সাংহাই ওশান ইউনিভার্সিটিতে PhD করছে আলী-ইমাম

আজকের গল্পটা যদি এভাবে শুরু হয়-

হে দারিদ্র, তুমি মোরে করেছ মহান,

তুমি মোরে দানিয়াছ খ্রীস্টের সন্মান,

কন্টক-মুকুট-শোভা।

কবির কন্ঠে সুর মিলিয়ে যদি বলি-দারিদ্রতাই মানুষের প্রতিভা ও অন্তর্নিহিত শক্তির প্রকাশকে সম্ভব করে তোলে-তাহলে বোধ হয় কিছু ভুল বলা হবে না। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজের ২০০৫-০৬ শিক্ষা বর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ আলি ইমাম প্রসঙ্গে যে কথাগুলো না বললেই নয়। আঘাত-সংঘাতের মধ্যেই ব্যক্তির সাহস ও সামর্থ্যের প্রকাশ ঘটে। আঘাত আসে আসুক, ব্যাঘাত আসে আসুক। পৃথিবীতে জীবন সংগ্রামের আছে সাফল্য, আছে ব্যর্থতা। তাতে কি যায় আসে ?

গত ২২/৭/২১ তারিখ অন-লাইনে কথা বলছিলাম ইমামের সাথে। অনেক ব্যস্ততার মাঝে সে কিছুটা সময় আমাকে দিয়েছিল যা রেকর্ডে ধারণ করেছিলাম, কয়েকবার কথাগুলো শুনেছি – জীবন কত বিচিত্র! এবার গল্পটা শোনা যাক ।

আমি মোঃ আলী-ইমাম । আমি চীনের সাংহাই ওশান ইউনিভার্সিটিতে ডক্টরাল ডিগ্রি করছি এবং আমার গবেষণার বিষয় Fishery Economics । আমি  চীনের নানজিং তথ্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিনান্সে ২০১৯ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি  অর্জন করেছি। মালয়েশিয়ার মালভার্ন ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি থেকে বিজনেস স্টাডিজ এ ২০১৭ সালে ডিপ্লোমা অর্জন করেছি। ২০১৩ সালে বাংলাদেশের  আতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি নিয়ে মালয়েশিয়াতে এসেছিলাম কর্মসংস্থানের জন্য। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ থেকে ঢাকা বোর্ডের অধীনে ২০০৭ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি।

এবার পেছনের কথাগুলো বলতে চাই। আমার এসএসসি পরীক্ষা শেষ করার পরে আমার শিক্ষার খরচ বহন করা আমার বাবা-মায়ের পক্ষে সম্ভব ছিল  না। কারণ, আমার আরও ছয়টি ভাই-বোন  ছিল ।

আমি সত্যিই দুশ্চিন্তায় ছিলাম, এরপর  কী হবে আমি কিছু ভেবে পাচ্ছিলাম না। আমি কি আর পড়াশোনা চালিয়ে  যেতে পারবো না ? ছোটবেলা থেকে ইচ্ছে, উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে মাথা উচু করে বাঁচবো।

এমন সময় সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আমি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ সম্পর্কে জানতে পারি । জিপিএ -এর ভিত্তিতে  ৫০%  ছাড়ে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ আছে। ব্যাপারটা তখনই আমার বাবা- মায়ের সাথে আলোচনা করি। এবং আমার বাবা আমার এক আত্মীয়ের  কাছ থেকে  ভর্তির জন্য টাকা ধার করে আনেন। ভর্তি ফি জোগাড় হওয়ার পরে  কলেজে ভর্তি হলাম বটে, কিন্তু  আমি পড়াশোনার জন্য বই কিনতে পারিনি। এমনকি নিয়মিত কলেজ টিউশন ফিও দিতে পারছিলাম না। তবে আমি ভাগ্যবান যে, আমাদের তৎকালীন অধ্যক্ষ মহোদয় জামশেদুর রহমান স্যার আমাকে বই এবং আর্থিক সহায়তা দিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে প্রচুর সহযোগিতা করেছিলেন ।

আমি  অধ্যক্ষ জামশেদুর রহমান স্যারকে ধন্যবাদ জানাই তার সমর্থন ব্যতীত এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া আমার পক্ষে সত্যিই কঠিন ছিল ।

ড্যাফোডিল কলেজের পরিবেশ, সেই সময়কার শিক্ষকবৃন্দ, সিনিয়র অফিসার রুনা ম্যাডাম এবং মাসুম ভাইয়ের প্রত্যেক শিক্ষার্থীর সাথে আচরণ অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ ছিল। রুনা ম্যাডাম সর্বদা শিক্ষার্থীদের সমস্যা জানার ও বুঝার জন্য আন্তরিকভাবে কথা বলতেন এবং তাদের সমস্যা সমাধান করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতেন । সবসময় সবাইকে ভালোভাবে পড়ালেখার ও ভালো রেজাল্টের জন্য উৎসাহিত  করতেন ।

জামশেদুর রহমান স্যারের সহায়তায় এইচএসসি পরীক্ষা সফলভাবে শেষ করেছি বটে, তবে আমি আরও পড়াশোনা করতে চাই, কিন্তু কীভাবে? আমি বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিলাম, তবে আমি স্বপ্ন দেখেছি এবং আমার সদিচ্ছাই আমাকে এগিয়ে নিয়েছে । স্নাতক ডিগ্রি পড়ার সময়ে, আমি আমার মাকে হারিয়েছিলাম যিনি সর্বদা আমাকে সমর্থন করেছিলেন এবং তিনি আমার জন্য সবকিছু করতে প্রস্তুত ছিলেন। আমার প্রতিটি সিদ্ধান্তই মায়ের চোখে ঠিক ছিল। মায়ের হঠাৎ মৃত্যু আমার গোটা বিশ্বকে অন্ধ করে দিয়েছিলো । এক বছর ভালো করে পড়ালেখায় মনোযোগ দিতে পারি নি কিন্তু হাল ছাড়িনি, অক্লান্ত পরিশ্রম করে স্নাতক ডিগ্রি শেষ করি । আমি যখন মালয়েশিয়ায় ছিলাম, বাবা পরপারে চলে গেলেন ।  তখন ফাইনাল পরীক্ষা ছিল, বাবার জানাজায় অংশগ্রহণ করতে পারিনি। 

জীবনে ভালো কিছু পেতে হলে অনেক সময় অনেক ত্যাগও করতে হয় এটাই বাস্তবতা । 

শিক্ষা জীবন সত্যই আনন্দময়, একজন শিক্ষার্থী যদি সত্যিই নিজ হৃদয়ের কথা শুনে এবং অনুভব করে তবে সে বিজয়ী হবে ।

একজন শিক্ষার্থীর সবসময় মনে রাখতে হবে ” দিনের শেষে সে নিশ্চয়ই বিজয়ী হবে “

ধূমপান ও এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিলুফা ইয়াসমিন জুলাই ২১

ধূমপান ও এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

ধূমপান থেকে বিরত থাকুন, নিজের জীবনকে ভালোবাসুন

ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর- আমরা সবাই জানি, এ সত্যটা জেনেও আমরা ধূমপান করি।

ধূমপানের কারনে যে ক্ষতি হয় সেটি হয় খুব ধীর গতিতে এবং শরীরের ভিতরে হয়, এজন্য

আমরা এর ক্ষতিটা খুব একটা বুঝতে পারি না। ধুমপানের কারনে শুধু যে আমি নিজে ক্ষতিগ্রস্ত  

হচ্ছি তা নয়, আমার আশেপাশে যারা আছে, তারাও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। যেমন- আমি আমার

সন্তানকে আমার জীবনের চেয়েও ভালবাসি অথচ আমি জানিনা আমার আদরের সোনামনি কতটা

ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমি ধূমপান করার কারনে। অনেক সময় অনেক বাচ্চা নিউমোনিয়া নিয়ে

জন্মগ্রহণ করে ,বেশিরভাগ বাচ্চার এই রোগের কারন ধূমপান করা বাবা, এঁটা অনেক  

পরিসংখ্যানে বেরিয়ে এসেছে। শুধু তাই নয়, বাচ্চাদের ফুসফুসের সমস্যা, হার্টের সমস্যা,

কিডনির সমস্যা ইত্যাদি নানাবিধ সমস্যাও এই কারনে হয়।

আমরা যারা মুসলমান তাদের জন্য ধূমপান করা হারাম ( সূরা আল আরাত) এবং কবিরা গুনাহ (

কারন আমরা এটা প্রতিনিয়ত করছি)। অনেকে আবার বলেন, আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি

আল্লাহ আমাকে মাফ করে দিবেন- হ্যা আল্লাহ কাকে কি দিয়ে মাফ করবেন সেটি মহান আল্লাহ

তালাহই যানেন, তবে নামাজ আদায় করলে সেটি আমাদের পূন্যের পাল্লায় যাবে, আর ধূমপান

করলে গুনাহের পাল্লায় যাবে। তবে গুনাহের কাজ করলে মানুষ ধীরে ধীরে সেদিকেই ধাবিত হয়

এবং পূন্যের কাজ ছেড়ে দেয়।

আমরা যারা ধূমপান করি ধূমপানের ফলে এগুলো দেহের ভিতরে বিশেষ করে ফুসফুসে প্রবেশ

করে দেহকে অসুস্থ করতে শুরু করে । সিগারেটে যে রাসায়নিক উপাদান থাকে তার মধ্যে

নিকোটিন, আর্সেনিক, মিথেন, অ্যামোনিয়া, কার্বন মনোক্সাইড, হাইড্রোজেন, সায়ানাইড  

ইত্যাদি প্রধান। একজন অধুমপায়ী যে কাজ চটজলদি করতে পারে, সে কাজ ধূমপায়ীর জন্য

অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ও সময় সাপেক্ষ প্রমানিত হয়। ধুমপানের কারনে COPD রোগ হয় এটি

ফুসফুসের রোগ। যারা ধুমপান করেন তারা সাধারনত এই রোগটি সম্পর্কে যানেন না, কারন

তারা যদি জানতেন তাহলে অবশ্যই এটি ছেড়ে দিতেন। অনেকের ধারনা ধুমপানের কারনে

ক্যান্সার হয়, এটি সত্য কথা কিন্তু তার চেয়েও মারাত্মক রোগ হলো COPD ২০১৯ সালে

WHO এর পরিসংখ্যানে

১ নং-হার্ট ডিজিজ

২ নং – স্ট্রোক

৩ নং- ক্যান্সার

৪ নং- COPD

COPD – এটি ২০২০সালে তিন নম্বরে সংক্রমনের দিকে এগিয়ে এসেছে, এটি মারন ব্যাধি এবং

এটি সৃস্টি হয় ধুমপানের কারনে। এটি চিকিৎসায় ভালো হয় না এবং এটি হলে মানুষ ধীরে ধীরে

মৃতে্যুর দিকে ঢলে পড়ে। এটি সিস্টেমিক ডিজিজ। এটির কারনে শরীরের সব অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়,

শরীরে পানি চলে আসে, হার্ট অ্যাটাক হয়, হার্ট ফেইলর হয়, কান্সার হয়।

আসুন আমরা সবাই ধূমপান পরিহার করি, COPD থেকে মুক্ত থাকি এবং নিজের জীবনকে

ভালবাসি।

নিলুফা ইয়াসমিন

সিনিয়র লেকচারার

ড্যাফোডিল ইন্তারনাসনাল

কলেজ জীবনের দুটি বছর

কলেজ জীবনের দুটি বছর

কলেজ জীবনের দুটি বছর

এইতো সেদিন! চোখের নিমিষে চলে গেল ১৮ টি বছর। ২০০৩ থেকে আজ ২০২১ সাল। কলেজ পড়ুয়া ছেলে-মেয়েদের সাথে আমার দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের ১৮ বছর অতিক্রম করলাম। প্রতিবছর নতুন নতুন ছেলে মেয়ে। নবীন বরণ এর মাধ্যমে আমরা ওদেরকে বরণ করে নেই। দেখতে দেখতে চলে যাওয়ার সময় হয়ে যায় ওদের। এ যেন অন্য রকম অনুভুতি!

 “কেউবা লম্বা, কেউবা খাটো, কেউবা ফর্সা , কেউবা কালো -সবাই আমার প্রিয়। ওদেরকে অনুভব করা যেন আমাদের দায়িত্ব।

আমরা বলি এরা কথা শোনেনা, ওরা লেখাপড়া করে না, নিয়মিত না, মনোযোগী না। আবার কেউ অধিক মনোযোগী, কোনদিন ক্লাস মিস করেনি। কেউবা শুধু নিজের লেখাপড়া নিয়ে ব্যস্ত, কেউবা বন্ধুর পড়া হলো কিনা সেটাই নিয়ে ব্যস্ত।

আসলে তো ওরা ছোট। যদিও ওরা কলেজে পড়ে, শুধু হাতে পায়ে লম্বা হয়ে বেড়ে উঠেছে  কিন্তু মনটা রয়ে গেছে শিশুসুলভ।

কলেজ এবং ইউনিভার্সিটির মধ্যে পার্থক্যটা মাত্র ২ বছর। কিন্তু একটা কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী এবং

বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীর মধ্যে পার্থক্যটা অনেক। দুই বছরেই ছেলেমেয়েদের মধ্যে আমূল পরিবর্তন।

 দায়িত্ববোধ বেড়ে যাওয়া, নিজের প্রতি এবং পরিবারের প্রতি সচেতন হওয়া, নিজের লেখাপড়ার প্রতি মনোযোগী হওয়া সবই যেন জাদুর মত পরিবর্তন হয়ে যায়। কেউ কেউ যে ব্যতিক্রমী নয় তা নয় তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই রকম দেখা যায়।

এমনো দেখা যায়, যে শিক্ষার্থীর পিছনে সারাক্ষণ লেগে থেকে তাকে তৈরি করতে হয়েছে, পথ দেখাতে হয়েছে, সেই শিক্ষার্থীর পথই আমরা এখন অন্য শিক্ষার্থীকে দেখাচ্ছি। এইতো আমাদের জীবন!

কলেজ জীবনের দুইটা বছর অনেক গুরুত্বপূর্ণ ।এটা একটা ঝুলন্ত সেতু। সেতু টা খুব সাবধানে সময়ের মধ্যেই পার হতে হয়। একটু বাঁকা হলেই পড়ে যেয়ে বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। আমরা শিক্ষকরা ছেলেমেয়েগুলোকে দেখাশোনা করছি, জ্ঞানদানের চেষ্টা করছি, আমরা হলাম ওই সেতুর খুঁটি। আমরা যত মজবুত হবো ততই ওদের সেতু শক্ত হবে, ঝাঁকুনি কম লাগবে।

আমরা ওদের দেখাবো স্বপ্ন। সেতু পার হলেই যে রয়েছে স্থায়ী ঠিকানা। নিজের ক্যাম্পাস, নিজের বিশ্ববিদ্যালয়। স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য আমাদের চেষ্টা চলে সবসময়। যদি ওরা একবার‌ স্বপ্নটাকে লালন  করতে পারে, নিজের বলে ভাবতে পারে, তাহলেই আমরা সার্থক। ওদেরকে আর আমাদের ঠেলতে হবে না। ওরা নিজেই শিক্ষক এবং অভিভাবকে ঠেলবে, স্বপ্ন বাস্তবায়নে সাহায্য করার জন্য। আমরা ওদেরকে ওই জায়গায় নিয়ে যেতে চাই।

সকল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীর কাছে আমার আহ্বান তোমরা সাবধানে সেতুটা পার হও। আনন্দ করো, আমাদেরকে আনন্দিত করো।

রওশন আরা ফেরদৌসি

অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রিন্সিপাল

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ

পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সচেতনতা By Mominul Huq Sir DIC

পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সচেতনতা

পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সচেতনতা

থুতু অথবা থু!

স. থুৎ > থুথু > থুতু।

এটা তুচ্ছ একটা জিনিস। তবু এ নিয়ে দুয়েকটি কথা বলা প্রয়োজন, যাতে, আমরা এর গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারি।

উন্নত দেশগুলোতে সাধারণ মানুষের শিক্ষা ও রুচি উন্নত। তারা পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন। সেহেতু তারা যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ও থুতু ফেলে না। কিন্তু অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর চিত্র ভিন্ন।

মূল-মূত্র বর্জ্য পদার্থ। এগুলো আমরা ত্যাগ করি। কিন্তু থুতু ?

আমাদের মুখগহ্বরের লালাগ্রন্থি (salivary gland) থেকে নিঃসৃত একপ্রকার আঠাযুক্ত তরল পদার্থ হচ্ছে লালা বা লালারস। এগুলো মুখগহ্বরকে রাখে আর্দ্র- যার ফলে আমরা কথা বলতে পারি ;  খাদ্যদ্রব্য চিবিয়ে খেতে ও গিলতে পারি। সেহেতু লালারস-এর অন্য নাম পাচক রস । তাছাড়া লালারস অ্যানজাইম ও প্রোটিনসমৃদ্ধ।  কিন্তু লালারস যখন মুখগহ্বর থেকে বাইরে ছুঁড়ে ফেলি, তখনি আমরা একে বলি-  থুতু।

চিকিৎসাশান্ত্রমতে, থুতু বর্জ্য পদার্থ নয়। তবু আমরা যত্রতত্র থুতু ফেলি কেন? প্রথমত আমরা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সম্পর্কে অসচেতন। দ্বিতীয়ত এটা একটা বদভ্যাস।

আমাদের জানা প্রয়োজন, থুতুতে রোগ-জীবাণু মিশে থাকে। যেমন, যক্ষ্মার জীবাণু। তাছাড়া ভাইরাসজনিত বিভিন্ন রোগের জীবাণুও মিশে থাকে। ময়লা-আবর্জনা ও থুতু শুধু পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়, সৌন্দর্যহানিকরও বটে। অতএব যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ও থুতু ফেলা থেকে আমাদেরকে বিরত থাকতে হবে।

কিন্তু আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অভিজ্ঞতা কী ?

শিক্ষার্থীরা আঙুলের ডগায় থুতু মেখে বইয়ের পাতা ওল্টায়, দোকানি আঙুলে থুতু মেখে ময়লা টাকা গোনে, লোকেরা পান খেয়ে যত্রতত্র পানের পিক ফেলে, রোজাদাররা রোজা রেখে ঘন-ঘন থুতু ফেলে। দুর্গন্ধ নাকে লাগলেই পথ-চলতি লোকেরা নাক-মুখ ঢাকে এবং থুতু ফেলে। যেন এগুলো আমাদের সংস্কৃতিরই অংশ। ধরা যাক, পথ চলতে গিয়ে কফ-থুতু বা কলার খোসায় পা-পিছলে একটা লোক মারাত্মকভাবে জখম হলো। এর দায় কে নেবে ?

থুঃ (Damn it !) – এর শিষ্ট কথ্যরূপ থু বা থুক। এটা ঘৃণা ও অবজ্ঞাসূচক শব্দ। যেমন, তুমি এতটা নীচ, থু! কাঁঠালের কোষগুলো পচা, থুক! বলা বাহুল্য যে, থুতুর সঙ্গে থু বা থুক সম্পর্কযুক্ত।

এটা ঠিক, থুতু একটা নোংরা বা বিচ্ছিরি জিনিস। কিন্তু এর নানা প্রকার ব্যাখ্যা ও তাৎপর্য আছে।

ধরা যাক, দুজন পূর্ব-পরিচিত ভদ্রলোক রাস্তার দুদিক থেকে এগিয়ে আসছে। কাছাকাছি এসেই একজন রাস্তার পাশে ফিরে থুতু ফেলল। অন্য ভদ্রলোকটি কী ভাববে ? ওই থুতু বিরক্তি ও অবজ্ঞার ইঙ্গিত নয়তো?  তিনি নিঃসন্দেহে একটু বিব্রতই হবেন। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’-তে (১৯৪৮) বালিকাবধূ জমিলার নির্দয় বয়ষ্ক স্বামী মজিদ মৌলবির মুখে থুতু ছুঁড়ে দেয়। প্রশ্ন হচ্ছে, তার এ আচরণের মর্মার্থ কী ? উত্তর হচ্ছে, এটা তার আত্মবক্ষার শেষ অস্ত্র। এটা তীব্র ঘৃণা ও অবজ্ঞার প্রতীক।

প্রবাদে আছে, ‘থুতু কেউ ওপরের দিকে ফেলে না।’ প্রশ্ন হচ্ছে, তাহলে কোথায় ফেলে ? উত্তর হচ্ছে, ডানে-বাঁয়ে বা আশেপাশে ফেলে। বলাই বাহুল্য যে, আমাদের সমাজে নিন্দুক ও ছিদ্রান্বেষী লোক বেশি। সেখান থেকেই এই প্রবাদের উৎপত্তি।

অতএব থুতু ক্ষুদ্র হলেও তুচ্ছ নয়। থুতু যত্রতত্র ফেলা সৌজন্যসূচকও নয়। সেহেতু কোনো-কোনো অফিস-আদালতের দেয়ালে লেখা থাকে- ‘যত্রতত্র থুতু ফেলবেন না।’

মমিনুল হক

সহকারী অধ্যাপক

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ

Daffodil College Alumni student Kazi Rafakat Hasan

সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েও কুয়েটে ইঞ্জিনিয়ারিং এর স্বপ্ন পূরণের পথে

সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েও কুয়েটে ইঞ্জিনিয়ারিং এর স্বপ্ন পূরণের পথে

আমি কাজি রাফাকাত হোসেন, খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ বর্ষের তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের একজন নিয়মিত ছাত্র ।

আমার ছোটবেলা কেটেছে খুলনায়, ছোটবেলায় বাবা মা প্রায়ই খেলনা গাড়ি কিনে দিতেন। তখন থেকেই খেলনা গাড়ির প্রতি আমার ইন্টারেস্ট তৈরি হয়। যখন একটু বড় হয়েছি তখন থেকেই আমার খেলনা গাড়ি বা অন্য যেকোন খেলনা খুলে দেখতাম ভিতরে কি আছে। অথবা কোন কিছু নষ্ট হলেই খুলতাম দেখার জন্য। এ জন্য মাঝে মাঝে মার বকুনি খেয়েছি। মা আমার এসব দেখে তখন থেকেই বুঝতে পেরেছিল আমি প্রকৌশলী হতে পারব।  

আমি বরাবরই বিজ্ঞান বিষয়ে ভাল ছিলাম কিন্তু অন্যান্য বিষয়ে দূর্বল ছিলাম। ফলে যা হবার তাই হল, জে এস সি এবং এস এস সি তে আশানুরূপ  ফলাফল পেলাম না। রেজাল্ট দেখে বাবা-মা হতাশ যদিও তারা আমাকে কোন কিছুই বলেননি। তখন আমার অবস্থা….. আর নাই বললাম । এর মধ্যেই কলেজে ভর্তির সময় চলে এলো। কয়েকটা কলেজ ঘুরে অবশেষে ভর্তি হলাম ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজে। কিন্তু আমি যখন কলেজে ভর্তি হই তখন চিন্তা করলাম ইঞ্জিনিয়ার হতে গেলে আমাকে Science এর subject গুলোতে ভালো করতেই হবে। এ ব্যাপারে কলেজ নির্বাচন করাটা আমার জন্য Positive ছিল। আমাদের কলেজের যে কজন শিক্ষক ছিলেন তারা প্রত্যেকেই আমাদেরকে আলাদাভাবে Take care করেছেন। যার জন্য এইচএসসির রেজাল্ট তুলনামূলক ভাল করতে পেরেছিলাম। বিষয়গুলো কঠিন হলেও শিক্ষকরা আমাদের বোঝার ক্ষেত্রে যথেষ্ট সাহায্য সহযোগিতা করেছেন। আজকে আমার এই সাফল্যের পুরো কৃতিত্ব ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজকে দিতে চাই।

ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় আমি কোনো কমতি রাখি নি, প্রতিদিন নিয়ম করে ভোর বেলা উঠে পড়তে বসা, ভর্তি কোচিং এর প্রতিটা ক্লাস মনোযোগ দিয়ে করা (একটা ক্লাস ও মিস করিনি) , পড়া গুলো বাসায় এসে আবার রিভিউ করা, প্রতিটা বইয়ের প্রতিটা চ্যাপ্টার খুব ভালো ভাবে পড়া থেকে শুরু করে শিক্ষকদের সব নির্দেশনা ফলো করে সব কিছু করেছি ।আমি ভর্তি পরীক্ষায় CUET, SUST, MIST, DU ও KUET বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েছিলাম তবে, পছন্দের বিষয়, ভার্সিটির পরিবেশ, ভবিষ্যতে আমার প্ল্যান সবদিক বিবেচনা করে ভর্তি হলাম খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে তার জন্য আমি আমার কলেজ ও আমার পিতা-মাতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

Mental Health Issues During 'COVID - 19' By Alia Rawshan Banu (DIC) (1)

Mental Health issues during COVID 19

Mental Health issues during COVID 19

The outbreak of COVID-19 has brought global effects which has turned the world into a different state. Most countries have implemented social distancing measures to slow down the spread of the infection, the most universally used
methods include home quarantines and national school closures.

The advent of Corona Virus has shattered the world and continues to have a massive impact on people of all walks of life including an adverse effect on ‘Global Mental Health’. Specially the students of all stages are the sufferers of this immense toll.

Due to the pandemic, we are living a new life, our teenagers are facing new situation. As per the report of the United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization (UNESCO) on March 26, 2020, school closures have affected 87% of the world’s students.

The researchers have found that quarantined people are facing an elevated risk of developing acute and post traumatic stress symptoms and disorders, emotional disturbances, depression, stress, irritability, and anxiety-induced insomnia. Home quarantine and school closures during the pandemic have serious concerns about the ‘mental health’ of children and adolescents.


In addition to mentioning children and adolescents’ ‘mental health’ status during COVID-19 pandemic, the risks and protective factors need to be identified to understand who are the sufferers and what could be done to protect them against ‘mental health’ problems.
During home quarantine, parents are usually the ones who interact the most with children and adolescents. The World Health Organization (WHO) advises parents to discuss COVID-19 with their children in an honest and age-appropriate way. In this way, close and open communication between parents and children may serve as a protective factor in children’s ‘mental health’.

Moreover, ‘mental health’ professionals should develop guidelines for parents and guardians on how to
help their children while facing this crisis. The adolescents should feel that they are not alone in this
world. They must have time to relax by reading, listening to music and exploring new hobbies.

** As teachers, we can help our students by taking the following measures:

  1. Encourage our students to have regular connection with teachers and friends
    by participating in online classes and extra curricular activities.
  2. Help students find creative ways to spend quality time with family and friends .
  3. Inspire them to be active and do things what they enjoy.
  4. Create opportunities to write and talk about what they feel regarding the current
    events.
  5. Talk with students about healthy eating, their hobbies, pastimes, sleep and exercise.
  6. Motivate them to engage themselves in creative activities.
  7. Encourage them to connect with family, friends, and others in their community.

To sum up, the prevalence of anxiety, depression and disorder among the students can be lessened by
proper care and guidance from parents, relatives, teachers and well wishers. By identifying the factors
related their ‘mental health’ status, it can be said that friendly discussion between parent and child is a
must to remove the impact of home quarantine. Last but not the least, smooth and happy family
environment, quality time spent with family members and friends are essential to solve ‘mental health’
problems during COVID-19 pandemic.

Alia Rawshan Banu

Sr. Lecturer

Daffodil International College

Daffodil International College Teachers Blog by Nasreen Sultana (NS)

নিরাপদ খাদ্য ও সাম্প্রতিক সময়

নিরাপদ খাদ্য ও সাম্প্রতিক সময়

ঈশ্বর গুপ্তের বাণী- ‘ ভাত মাছ খেয়ে বাঁচে বাঙালি সকল।’ কিন্ত ভাত মাছ খেয়ে বেঁচে থাকার প্রয়াস বর্তমানে কঠিন হয়ে পড়েছে। কেননা আজকাল অসাধু ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ফায়দা লুটতে ইউরিয়া, ফরমালিন, কার্বাইড সহ বিভিন্ন কেমিক্যাল পদার্থ খাদ্যদ্রব্যে মিশিয়ে তা বিষে পরিণত করে ফেলছে।

হাট বাজার ঘুরেও কেমিক্যাল মুক্ত মাছ পাওয়া যায় না কোথাও। আগে পাইকারি আড়ৎ গুলিতে প্রকাশ্যে মাছের স্তুপে ফরমালিন বা কেমিক্যাল যুক্ত পানি স্প্রে করা হতো কিন্তু প্রশাসনের নজরদারিতে তা এখন কমে গেলেও অভিনব উপায়ে মাছে ফরমালিন ব্যবহার করা হয়। যেমন- বড় মাছ তাজা অবস্থায় ফরমালিন ইনজেকশনের মাধ্যমে পুশ করা, ছোট মাছ ফরমালিন মিশ্রিত পানির ড্রামে চুবিয়ে তুলে ফেলা, ফরমালিন মিশ্রিত বরফ যা দেখতে হালকা বাদামি রঙের তা দিয়ে মাছকে চাপা দিয়ে রাখা ইত্যাদি।

বেকারীর কারখানায় খাবার সতেজ ও আকর্ষণীয় করার জন্য অতিরিক্ত পরিমাণ অ্যাডেটিভ পদার্থ, টেক্সটাইল রং সহ বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহারে খাবার বিষাক্ত হয়ে পড়ে।

বাজারে এখন বিভিন্ন ফলের সমাহার যেমন:আম,জাম,কলা, পেঁপে পেয়ারা থেকে শুরু করে আপেল আঙ্গুর নাশপাতিসহ দেশী ও বিদেশী সব ফলই চোখে পড়ে। কিন্তু এই সব ফলই বিষে ভরা। অতিরিক্ত মুনাফা লাভের জন্য ফল গাছে অপরিপক্ক থাকা অবস্থায় ইথিলিন ও ইথরিল হরমোন অতিমাত্রায় স্প্রে করা হয় এবং ক্যালসিয়াম কার্বাইড ফল পাকাতে ব্যবহার করা হয়। যারকারণে ফলগুলো রীতিমত  বিষে পরিণত হয়।তবে কেমিক্যাল ব্যবহার করে পাকানো ফলের সব অংশে সমান রং হবে এবং ফলের ভিতরের চামড়ার অংশে একটু তিতা হবে। এছাড়া ফলের এক অংশে টক অন্য অংশে মিষ্টি লাগবে।

আজকাল মুড়িতেও ইউরিয়া,হাইড্রোজ ব্যবহার করে লম্বা, সাদা ও আকর্ষণীয় করা হচ্ছে।এসব মুড়ির গায়ে অসংখ্য ছিদ্র থাকে, দেখতে খুব সাদা কিন্তু স্বাদ পানসে হয়ে যায়।

এসব ভেজাল- বিষাক্ত  খাদ্য  খেয়ে ক্যান্সার, কিডনি – লিভার বিকল হয়ে যাওয়া  সহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের ‘বিষাক্ত খাদ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি’ শীর্ষক সেমিনারে বলা হয়, শুধু ভেজাল খাদ্য গ্রহণের ফলে দেশে প্রতি বছর প্রায় ৩ লাখ লোক ক্যান্সারে, ডায়াবেটিস রোগে ১ লাখ ৫০হাজার, কিডনি রোগে ২ লাখ লোক আক্রান্ত হচ্ছে। এছাড়া গর্ভবতী মায়ের শারীরিক জটিলতা সহ গর্ভজাত বিকলাঙ্গ শিশুর সংখ্যা প্রায় ১৫ লাখ। সুতরাং এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি গণ সচেতনতা ও দরকার।

Formalin in Food
Formalin in Food

আমরা  কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরণ করলে খাদ্যদ্রব্যকে কেমিক্যাল মুক্ত করতে পারি।যেমন – মাছ ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরণ করে সহজেই ফরমালিন মুক্ত করা যায়।মাছ কিনে এনে খুব ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে এর পর প্রায় এক ঘণ্টা তাকে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। ঠাণ্ডা পানির প্রভাবে মাছের শরীরের ফরমালিন কিছুটা বেরিয়ে যায়।এর পর লবণ পানি তৈরি করে তাতে কিছুক্ষণের জন্য ভিজিয়ে রাখুন মাছ। লবণ মাছের শরীরের ক্ষতিকর রাসায়নিককে সহজেই বের করে আনে।

এছাড়া প্রথমেই চাল ধোয়া পানি দিয়ে ধুয়ে নিন মাছ। তার পর সাধারণ পানি দিয়ে ডুবিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। এতে সহজেই ফরমালিন সরে যাবে। 

ফল ও সবজিকে ফরমালিনমুক্ত করার সব চাইতে ভালো পদ্ধতি হলো- ভিনেগার ও পানির মিশ্রণে (পানিতে ১০% আয়তন অনুযায়ী) ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখা। এতে প্রায় ১০০ ভাগ ফরমালিন দূর হয়।

এছাড়া ফলমূল খাবার আগে সেটি হালকা গরম এবং লবণ মিশ্রিত পানিতে ১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এতে করে ফরমালিনের পরিমাণ প্রায় ৯৮ শতাংশ দূর হবে।

আশা করি এসব ঘরোয়া টিপস অনুসরণ করলে আমাদের কিছুটা উপকার হবে। পাশাপাশি খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করণে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কতৃপক্ষের নজরদারি আরও কঠোর ও বিস্তৃত করতে হবে।

তথ্য সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক যুগান্তর

নাসরীন সুলতানা

প্রভাষক (রসায়ন বিভাগ)

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ