WhatsApp Image 2022-06-22 at 3.26.43 PM

Everyday English: Part 01

Do you feel uneasy to start a conversation in English? Do you hesitate to ask questions or share your opinions? Do you face difficulty in speaking English? Starting a conversation, sometimes, becomes the most difficult part in everyday life. To start a conversation, we have to learn some expressions to use in different situations – formal or informal, at school, college, work place, at sports, birthday or wedding party and in different contexts.

  • We can introduce ourselves in a very simple manner. Suppose, you are talking to a person who is your classmate or your next door neighbour. Your friend’s answer will be in the blank box.

Conversation with a friend:

We can use informal expressions with friends:

  • Hi, what’s up?

Ans: Not much and how about you?

  • The most common answer is “I’m fine, thank you and what about you?”
  • Another friendly answer of “what’s up” is “Having a great day and you?”
  • How’s it going?

Ans: Good or not so good. Passing a very busy day.

Conversation with a colleague or co-worker:

We usually use formal English words at office or work place. Such as

  • How are you doing?

Ans: Having a busy day today.

  • How is your day going?

Ans: Looking forward to the project schedule.

  • Have you heard about the news about our next project?

Ans: Yes, obviously.

  • Do you have any plan for the weekend?

Ans: Nothing special. Thinking to visit my home town.

Conversation in a Party

  • Hello, I’m Nijhum. I don’t think we’ve met yet. Ans: Hi, I’m Siam. I am from Barishal and you?
  • What do you know about Sohel so far?

Ans: Oh! He is a nice guy but a bit stubborn. I know him from his childhood.

  • Have you tried dessert in the party?

Ans: Wow! It’s delicious. I enjoy chocolate cake the most.

  • Do you like tea or coffee after the meal?

Ans: Not that much. Sometimes I love taking ice cream.

In a party, we may start a conversation by asking how the person knows

about the host and his family. In this way, you can continue the conversation by commenting on the foods and dessert items or music etc.

Stay connected for the next part- how to carry on the conversation in different situations.

Alia Rawshan Banu

Sr. Lecturer

Daffodil International College

WhatsApp Image 2022-05-24 at 1.41.18 PM

মধুর গুণ ও উপকারিতা

মধুর চেয়ে কল্যাণময় দ্রব্য এই বিশ্বমন্ডলে আর নেই্ মধু মিষ্টি ,আধা ঘন পদার্থ,বিভিন্ন রকমের শর্করার এক দ্রবন বিশেষ , যার বর্ন গাঢ় বাদামী থেকে হলুদ হয়ে থাকে। মৌমাছি ফুল থেকে সংগৃহীত রস থেকে মধু তৈরি করে এবং তাদের খাদ্য হিসেবে ব্যবহারের জন্য সঞ্চয় করে। মধুর অনন্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটা নিজে কখনও পচে না এবং অন্য জিনিসকে দীর্ঘদিন পর্যন্ত পচন থেকে সংরক্ষিত রাখে। পৃথিবীর ইতিহাসে আনুমানিক চার হাজার বছর আগে প্রাচীন মিসরীয় চিকিৎসকরা মধুর সাথে গ্রীজ ও নরম কাপড় মিশিয়ে এক প্রকার মলম বানিয়ে রোগ নিরাময়ে এক সাড়া জাগানো ঔষধ প্রস্তুুতের সূচনা করেন।

আল কুরআনে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মধুকে “সিফাউন লিন্নাস অর্থাৎ এতে মানুষের জন্য রয়েছে নিরাময় ঘোষনা করে রোগ ব্যাধির মোকাবেলা করে বেঁচে থাকার পথ নির্দেশ করেছেন। আরও বলা হয়েছে ’ আর দেখ তোমার রব  মৌমাছিদের এ কথা ওহির মাধ্যমে বলে দিয়েছেন, তোমার পাহাড়পর্বত, গাছপালা ও মাচার ওপর ছড়ানো লতাগুল্মে নিজেদের চাক নির্মান করো । তারপর সব রকমের ফলের রস চোষো এবং নিজের রবের তৈরি করা পথে চলতে থাকো ।

প্রান চঞ্চল প্রকৃতির রাজ্যে গুনগুন শব্দ তোলা ছন্দ বিধুর এ পতঙ্গটির একমাত্র উপহার মধু। মধু শুধু আদর্শ খাদ্যই নয়, মধু একটি মহৌষধ, যার গুন বহুমুখি।

মধুর ব্যবহারঃ 

১.  রোগ নিরাময়ে মধু সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত হয়।

২.  শিশুদের বাড়ন্ত শরীরের চাহিদা অনুযায়ী পুষ্টি উপাদানের যোগান দেয়া সব বাবা মায়ের পক্ষেই সম্ভব হয়    না, সে প্রসঙ্গে বিখ্যাত ইংরেজ বিজ্ঞানী ডাঃ এফ ডব্লিউ সাফল বলেছেন” শিশুর কচিদেহে রক্ত বর্ধক হিসাবে মধুর তুলনা হয় না । মধু সস্তা সহজ পাচ্য, শিশুর বদ হজম হয় না, ডায়রিয়া হয় না । ফলে ওজন বাড়ে। শিশুর মানসিক ও দৈহিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদানের দরকার তার সবটুকু মধুতে আছে। কাশি ও কফের জন্য শিশুদের যত ঔষধ রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে ভালো ঔষধ মধু ।

৩. মধু পোড়া ,কাটা ও ক্ষতস্থান তাড়াতাড়ি শুকাতে সাহায্যে করে।

৪. মধু হৃদরোগের ঔষধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। বিখ্যাত পুষ্টি বিজ্ঞানী ডঃ আরনল্ড লোরান্ড বলেছেন ,ইঞ্জিনের শক্তি যেমন পেট্রল, তেমনি হৃদযন্ত্রের শক্তি তেমনি মধু। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ- জার্মান ডাঃ ই কচ বলেন, একটি দুর্বল ঘোড়াকে যদি উপযুক্ত পরিমানে খাদ্য সরবরাহ করা হয় , তাহলে অল্প দিনের মধ্যে সে একটি দুর্দান্ত তেজি ঘোড়ায় পরিনত হবে । ঠিক তদ্রুপ হার্টের পুষ্টিকর ও উত্তেজক উপাদান হচ্ছে মধু ।

৫. ডায়াবেটিস নিরাময়ে ও মধু ব্যবহৃত হয় ।

৬. হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ) থেকে বর্ণিত –হাদিসে বলা হয়েছে,রাসুলুল্লার (সাঃ) কাছে, মধু অত্যন্তÍ প্রিয় ছিল। তিনি এর ব্যখ্যায় উল্লেখ করেন হুজর (সাঃ) এর কাছে মধু এ কারনে প্রিয় ছিল যে, আল্লাহতালা বলেছেন, এতে প্রতিষেধক আছে। মধুর নিরাময় ক্ষমতার বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি নিমোক্ত বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন মধু  বাসি পেটে খেলে – শ্লেষ্মা দূর হয়, পাকস্থলী পরিষ্কার হয়, মস্তিষ্ক শক্তিশালী হয়।

পরিশেষে বলা যায়, পৃথিবীর অন্যতম সমাজ বদ্ধ পতঙ্গ মৌমাছি একটি অর্থকারী প্রানী হিসাবে সারা বিশ্বে সুনাম কুড়িয়েছে, আর এই পতঙ্গ থেকেই আমরা মধু পাই। বিভিন্ন গবেষনায় দেখা গেছে যে, মধু নিজেই একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ । মধুসংক্রান্ত এ জাতীয় গবেষণা এক দিকে অসুস্থ মানব গোষ্ঠির জন্য বয়ে আনবে নতুন আশার আলো, অন্য দিকে সৃষ্টির রহস্য উদঘাটনে মানুষের এ গবেষনামুখী কর্মতৎপরতা তার জন্য বয়ে আনবে আন্তিক প্রশান্তি ও পারলৌকিক মুক্তি। সে জন্য আজ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আয়ুর্বেদ, ইউনানি, হেকিমি শাস্ত্র্রে সেসব বিষয়ে গবেষনা শুরু হয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় সিন্ধুর কাছে বিন্দু বইকি।

নিলুফা ইয়াসমিন

সিনিয়র প্রভাষক

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ

19years

সাফল্য ও অর্জনের ১৯ বছরে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ

বিশ্বায়নের এ যুগে জানা ও এগিয়ে যাওয়ার শর্তে আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি সমৃদ্ধ গুণগত মানসম্মত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। দেশে ও বিদেশে মানসম্মত এবং মানব সম্পদ সৃষ্টিশীল শিক্ষার রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। তাছাড়া আগামীর সভ্যতায় আমরা সম্মানের সাথে বাঁচতে চাই। আমাদের বর্তমান ও আগামী প্রজন্মকে সর্বাধুনিক তথ্য-প্রযুক্তিসমৃদ্ধ দায়িত্বশীল ও সচেতন দেশপ্রেমিক সুনাগরিক এবং এক একজন আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সেদিকে লক্ষ্য রেখে গুণগত মানসম্পন্ন শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ মানব সম্পদ সৃষ্টি ও দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান শিক্ষা উদ্যোক্তা জনাব ড. মো: সবুর খান রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র লালমাটিয়ায় ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ।

কলেজের ভিশন শিক্ষার গুণগত ও সংখ্যাগত মানোন্নয়ন এবং আলোকিত মানুষ বিনির্মাণ। মানসম্পন্ন শিক্ষার মাধ্যমে এসডিজি অর্জন ও ২০৪১ সালের মধ্যে প্রিয় বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তোলা। এ এক অঙ্গীকার। এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি দেশ ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ প্রতিষ্ঠান হিসেবে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ সত্যিকার অর্থে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সুযোগ্য পরিচালনা পর্ষদের দিক নির্দেশনায় এবং অধ্যক্ষের নেতৃত্বে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন কলেজের সুশিক্ষিত, দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক-কর্মকর্তাবৃন্দ।

কলেজের রয়েছে দৃষ্টিনন্দন সুবিশাল নিজস্ব ভবন ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সুপরিসর শ্রেণিকক্ষসমূহ, সমৃদ্ধ বিজ্ঞানাগার, লাইব্রেরি এবং আইসিটি ল্যাব যা সার্বক্ষনিক সিসি ক্যামেরা পর্যবেক্ষণের আওতাভূক্ত। এখানে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের পাঠ্যসূচি অনুযায়ী উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় বাংলা মাধ্যম ও ইংলিশ ভার্সনে অধ্যয়নের সুযোগ রয়েছে। নিয়মিত সাপ্তাহিক পরীক্ষা, মাসিক পরীক্ষা এবং অন্যান্য মূল্যায়ন পরীক্ষার ব্যবস্থা। দুর্বল ও অমনোযোগী শিক্ষার্থীদের অগ্রহী ও চৌকষ হিসেবে গড়ে জন্য তোলার রয়েছে আপ্রাণ প্রচেষ্টা। সপ্তাহের শেষ দিনে রয়েছে সপ্তাহব্যাপী পাঠদান কার্যক্রমের মূল্যায়ন। নিয়মিত গাইড শিক্ষকের তত্ত্বাবধান। আইসিটি বিষয়ে রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব এবং আবশ্যিকভাবে কম্পিউটার শিক্ষার ব্যবস্থা। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য রয়েছে পৃথক পৃথক শাখার ব্যবস্থা। এ+ প্রাপ্ত, অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে নানারকম বৃত্তির ব্যবস্থা। রাজনীতি ও ধূমপানমুক্ত পরিবেশ। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে মানবিক বিভাগ এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইংরেজি, বিবিএ, সিএসই, ফিন্যান্স ও মার্কেটিং বিষয়সমূহে অনার্স কোর্স চালুর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

বোর্ড পরীক্ষায় কলেজের পাসের হার জিপিএ-৫সহ শতভাগ। কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা দেশের স্বনামধন্য সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে। অনেক শিক্ষার্থী বিদেশেও উচ্চ শিক্ষা নিচ্ছে। অনেকেই শিক্ষাগ্রহণ শেষে দেশ-বিদেশে দারণভাবে প্রতিষ্ঠিত। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গৌরবের বিষয়। কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি সংগঠন (এলামনাই এসোসিযেশন) রয়েছে।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবক এই ত্রিমাত্রিক প্রয়াসের সমন্বয়ে করোনা অতিমারির শুরু থেকেই শ্রেণি কার্যক্রমসহ প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বর্তমানে ড্যাফোডিল গ্রুপের নিজস্ব প্লাটফর্ম Smart Edu (EMS, elearning, Smart Board, Event, Dashboard) এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাড়ির কাজগুলোর প্রতি প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দিয়ে তাদেরকে যথাযথ অনুশীলনের আওতায় আনা হয় এবং কুইজ, হ্যান্ডনোট, অ্যাসাইনমেন্ট ইত্যাদি আদান-প্রদান করা হয়।

শিক্ষার্থীদের উৎসাহ এবং শিক্ষকবৃন্দের আন্তরিকতায় প্রতিটি ক্লাস হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত। জাতীয় দিবসসমূহ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয় নিয়মিত। অনুষ্ঠিত হয় নানা প্রকার সরাসরি ও  অনলাইনভিত্তিক সৃজনশীল প্রতিযোগিতা।

শিক্ষাকে পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর করা লক্ষ্যে কলেজে বিভিন্ন ধরণের সহপাঠক্রমিক কার্যাবলি যেমন: বাংলা ও ইংরেজি বিতর্ক প্রতিযোগিতা, কুইজ আবৃত্তি, উপস্থিত বক্তৃতা, চিত্রাংকণ প্রতিযোগিতা, বিজ্ঞান মেলা, বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, কুইজ প্রতিযোগিতা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা ইত্যাদি আয়োজন করা হয় নিয়মিত। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করার লক্ষ্যে জাতীয় দিবসগুলোতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় যেখানে শিক্ষার্থীরা স্বত:স্ফুর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। ফলে শিক্ষার্থীরা তাদের পরিবার, প্রতিষ্ঠান, দেশ ও জাতির প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন হওয়ার সুযোগ পায়। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে দেশে ও বিদেশে উচ্চ শিক্ষার উপযোগী করে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ ৩/৩ ব্লক-এ, লালমাটিয়া, ঢাকা-১২০৭ ফোন: ৪৮১১৩৭৯৩, ০১৭১৩৪৯৩২২৭, ০১৭১৩৪৯৩২৪০ ওয়েব : www.dic.edu.bd  ই-মেইল : info@dic.edu.bd

Creativity will lead you to success

Creativity will lead you to success

Creativity will lead you to success because an open mind is a valuable resource. When you’re interested in new possibilities and able to think creatively, you’re more likely to stay energized in your role and keep your team or organization one step ahead of the competition. Creativity is the ability to see the future and translate it at least partially into the present. The future transcends the present. You can’t use up creativity. The more you use, the more you have.

                                                  “Everything that is

                                                    Beautiful and noble

                                                                     is the product of

                                                     Reason and calculation.”

I believe this statement from the core of my heart. Today I have written this article after seeing the creativity and imaginative work of my beloved students’. A few days ago, I had told them to make a video about their other’s activities during the pandemic situation for a program.All of them submitted their videos within two days.When I had seen their videos I became speechless to see their creativity.Some of them engaged themselves in making some projects, some of them involved in gardening, singing, dancing, recitation etc. All of them had given more and more afford to perform his/her respective project through using creativity. Besides, they had also attended many online competition and achieved many awards. I like to mention here some of my students creativity one after one.

Md. Shami Islam khan, a student of HSC Examinee-2021, Science Group. Besides study, he makes various projects. He attended a competition titled as “Coronathon” and achieved Runners’ up award. His project was “Way-19 (Far UVC)”. It is basically a bulb that produces FAR UVC rays (207-222nm). These rays can’t enter our skin or epidermis. However, it can kill the virus or germs by tear the top layer of air bones, super bags, corona etc. This ray also purifies the air and reduces dust.

 His another project is E-Tob which was presented in ICT Carnival. E-Tob is an electronic flower pot that can be used to monitor all soil properties from anywhere in the world and can be watered on a tree with a single click as needed. It also has UV technology to protect the desired plant from pests. This gadget can accomplish a full 10 tasks and there will be an option to add more functions as required by the users. Solar panels will be used here as a source of electricity. So, no extra power will have to be supplied.

Zarin Rushni Oishee, a student of HSC Examinee-2021 of Science Group. Though she is an HSC level student, she has become a famous Nazrul Sangeet Singer by this time. Besides her education, she attended in many TV channels for singing Nazrul songs. During Pandemic situation, she also attended in many programs through online. I have noticed that in every program, she has maintained her dress code, decorated her background related to the programs which was really praiseworthy.

Al- Mamun Ovi, another HSC Examinee-2021 of Science Group. He is also engaged himself in many creative activities. Specially, in time of COVID-19, he attended “Coronathon Competition”. His team name was ‘SOPI’ and project title was “Service on Prevent Infection”.

A  

Description of the Project in brief:

The Volunteers of this team have to collect the information from every door to door to warn the people about this virus. They will also collect their NID and make a database for their safety and official records. The government have to approve about 2-3 shops in every area and the shops have to provide 24*7 service to the people. In this shop they have to store all kinds of daily needs, medicines and everything that a family needs daily. Police will monitor their (Shop Keepers) service regularly so that a family can buy all kinds of necessary products like groceries, medicines and other things in a reasonable price. After purchasing the products, they will pay the bill. Paying bill record will be saved for the next three days. Then these people will not be allowed to buy those products again for the next 3 days. And it will be recorded by a retina scanner or Fingerprint machines. Moreover, it will be fixed outside of these govt. certified shops. None will be allowed to buy anything out of his police station or residential area.  And when they will go out to buy any necessities, volunteers will help the people to bring them to shops and to take away goods from the shops to their home.

J M Mohiuddin, Maria Akter Megha and Mohammad Arafat, they are the students of Science, 2nd year. They also have proved their creativity through attending ICT Carnival. They had made a project on “e-learning platform”.

The objectives of their project are-

  1. Without disturbing online classroom.
  2. No option for cheating in Online Exam.
  3. Selling Old Books in Half Price whether it is PDF or Printed Documents.
  4. Helping the new writers to correct their writings.
  5. Guide Line for Common Learning & Higher Education.

Actually, we are proud of them. They have brought out a lot of name and fame for our College as well as for their family and for themselves. We pray to almighty Allah so that they can continue their successful journey in future also. I think every student has some latent talent, potentiality and creativity. But some of them are extrovert and they can prove their potentiality or creativity. On the other hand, some of them are introvert, in spite of having a lot of talents, creativities and potentialities, they can’t expose themselves only for shyness, proper motivation and family support. So, I will advise my students to be more positive, creative and extrovert to accept the challenges of 21st century.

Thus, creativity is very important in our daily life because it helps one to reach his/her destination of life successfully. That’s why it goes without saying that anyone can be creative and innovative through using his latent talent and positive ideas. In this regard, we can remember the quotation of Nikola Tesla, a Serbian- American Inventor who says-

The Gift of mental power

         Comes from God, divine being,

And if we concentrate our

                                                         Minds on that truth, we

Become in tune with this

                                                          Great power.

                     – Nikola Tesla

Sanchita Nargees

Sr. Lecturer

Daffodil International College

দুটি স্বরধ্বনি: ই ঈ

দুটি স্বরধ্বনি: ই ও ঈ

দুটি স্বরধ্বনি: ই ও ঈ

কার-চিহ্ন: হ্রস্ব-ই = ি ,দীর্ঘ-ঈ = ী।

কোথায় লিখব হ্রস্ব-ই, কোথায় দীর্ঘ-ঈ ?

কোনটা শুদ্ধ – ইদ না ঈদ ? বাড়ি না বাড়ী ?  কোনটা অশুদ্ধ – টিকা না টীকা ? কৃতি না কৃতী ? এগুলো বাংলা ভাষা-শিক্ষার্থী ও সাধারণ শিক্ষিত বাঙালিদের কাছে ধাঁধা।

প্রথমেই বলি, উচ্চারণ ভুল হলে বানান ও অর্থের বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। যেমন- ‘আমরা’ ও ‘আমড়া’, ‘আবরণ’ ও ‘আভরণ’, ‘গা’ ও ‘গাঁ’। উচ্চারণ অভিন্ন, কিন্তু বানান ও অর্থ ভিন্ন, এমন শব্দও দুর্লভ নয়। যেমন- ‘কালি’ ও ‘কালী’, ‘নিচ’ ও ‘নীচ’, ‘ধ্বনি’ ও ‘ধনী’। আবার উচ্চারণ, বানান ও অর্থ অভিন্ন, এমন শব্দও আছে। যেমন- জেলা, সে, তিনি, পাকা, পোকা, ব্যাধি। মূলকথা হলো, বাংলা শব্দের উচ্চারণের সঙ্গে বানানের সাদৃশ্য খুব কম।

বাংলা ভাষায় বহু সংস্কৃত শব্দ ব্যবহৃত হয়। আমরা এগুলোকে বলি ‘তৎসম’ শব্দ। এ জাতীয়  শব্দে আমরা কখনো ‘ই’, কখনো ‘ঈ’, কখনো-বা যুগপৎ ‘ই’ ও ‘ঈ’ লিখি। যেমন-

১. হ্রস্ব-ই  

অঞ্জলি (শ্রদ্ধাঞ্জলি), অতিথি (-শালা, – পাখি), অপিনিহিতি, অভিষিক্ত, অভিসন্ধি, অধিপতি, উল্লিখিত, কোটিপতি, ‍গিরি (-পথ), তিতিক্ষা (ত্যাগ আর -), তিথি (পূর্ণিমা -), দিবানিশি, দিগ্বিদিক, দ্বিরুক্তি, নিরবিচ্ছিন্ন, নির্দেশিকা, নিরামিষ, নিরিবিলি, নির্লিপ্ত, নিষিদ্ধ (- পণ্য), নিষ্কৃতি, নিবিঢ় (- কর্মসূচি), নিশ্চিদ্র (- নিরাপত্তা বেষ্টনী), নিশ্চিহ্ন, পরিস্থিতি, পরিধি, প্রতিলিপি, প্রতিনিধি, প্রতিকৃতি (বঙ্গবন্ধুর -), বিনিদ্র) (- রজনী), বিধিলিপি, বিনিয়োগ, বিকৃতি (ভাষার -), বিভূতি (-ভূষণ), বিভক্তি, বিস্মৃতি, যুধিষ্ঠির।

২. দীর্ঘ-ঈ

আত্মজীবনী, উদীচী (- শিল্পীগোষ্ঠি), কর্মজীবী (- মহিলা হোস্টেল), ক্ষীণ (- আলো), গ্রীষ্ম (-কাল), গ্রহীতা (ঋণ-), জয়ন্তী (জন্ম-), জীর্ণশীর্ণ (অসুস্থ – শরীর), তীর্থ (মরু- হিংলাজ), তীব্র (- ক্ষোভ), তীক্ষ্ণ (- দৃষ্টি), তপস্বী (বিড়াল -), দীর্ঘস্থায়ী, নীরব (- পাঠ), নীরস (- বচন), নীলাম্বরী (- শাড়ি), পরীক্ষার্থী, প্রতীক্ষা (দীর্ঘ -), প্রবীণ (- হিতৈষী সংঘ), বর্ষীয়সী (- নারী), বাগ্মী (বিশিষ্ট -), বিবরণী (Statement), বীভৎস (- দৃশ্য), ভাগীরথী (- নদী), শশী (- লজ, রবি-), শীঘ্র (শুভস্য শীঘ্রম), মনীষী (- সক্রেটিস), মহীয়সী (- রোকেয়া), শ্রীমতী (- ইন্দিরা গান্ধী), লক্ষ্মী (- চক্রবর্তী, -পুর), সমীচীন, স্বামী-স্ত্রী।

৩.  হ্রস্ব-ই ও দীর্ঘ-ই

অদ্বিতীয়, অগ্নিপরীক্ষা, অভিবাসী, আশীবিষ, কামিনী, কীর্তি, কিন্নরী, কিরীট, গান্ধীজি, গীতাঞ্জলি, গীতি (পল্লি-), জীবিকা (জীবন ও -), জীবিত, জ্যোতিষী (রাজ-), ত্রিপদী, ত্রিমোহিনী, ত্রিবেদী (রামেন্দ্রসুন্দর -), দ্বিমুখী (- আচরণ), ত্রিমুখী (- সংঘর্ষ), দীপ্তি (-মান লেখক), দুর্বিনীত (- কাল), নিরীহ (- প্রাণী), নির্বাহী (- পরিচালক), নীলমণি (-লতা),  দধীচি, ধরিত্রী (- সম্মেলন), নামীদামি (- ইশকুল), নীলিমা (বিধ্বস্ত -), নাতিদীর্ঘ (- বর্ণনা), নির্ঝরিণী, নিমীলিত (- চক্ষু), নিপীড়িত (বঞ্চিত ও -), পরীক্ষিত, পরিসীমা, বাহিনী (মুক্তি-), প্রতিদ্বন্দ্বী, প্রতিবন্ধী, পিপীলিকা, পুনর্মিলনী, বহুব্রীহি, বিপত্নীক, বিদুষী (- রাজকন্যা), বার্ষিকী (জন্ম- শত-), বাল্মীকি (মহর্ষি -), বিদেশিনী,  বিভীষিকা (-ময় ২১ আগস্ট), বিলম্বী (- ফল), ভীতি (রোগ-), বুদ্ধিমতী, বিভীষণ (ঘরভেদী -), মন্দাকিনী, মরীচিকা (আশা -), মহিষী (- কর্ণাবতী), রীতিনীতি, সম্প্রীতি, সাময়িকী, স্বীকৃতি, সীমিত, স্রোতস্বিনী।

উল্লেখযোগ্য যে, এগুলোতে সংস্কৃত ব্যাকরণ ও অভিধানের বানানরীতি অনুসৃত হয়েছে। কিন্তু বাংলা অ্যাকাডেমির সূত্রমতে, যে-সব সংস্কৃত শব্দে ই/ঈ, উ/ঊ উভয়ই সিদ্ধ, সেইসব শব্দে ই, উ ব্যবহৃত হবে। অর্থাৎ আধুনিক বাংলা বানানরীতি ও পদ্ধতিতে বিকল্প বর্জিত হয়েছে। যেমন-

ই/ঈ > ই

অঙ্গুলি (-স্পর্শ, বৃদ্ধাঙ্গুলি), অক্ষি (মীনাক্ষি), অটবি, অন্তরিক্ষ, অবনি, আবলি (শর্তাবলি, নিয়মাবলি), আলি (বর্ণালি, স্বর্ণালি), আরি (পূজারি, দিশারি), ঔষধি (মহৌষধি), কাকলি (পাখির কল-), কিংবদন্তি (জীবন্ত – ), কুপি, কুহেলি (শীতের -), খঞ্জনি, গহিন (- বালুচর), গণ্ডি (ইশকুলের -), গোষ্ঠি (হালদার-), চিৎকার (আর্ত -), চুল্লি (গ্যাস-), ঝিল্লি (-মুখর সন্ধ্যা), তরি (জীবন-), তরণি (ভাসাও -), ধমনি (শিরা ও -), ধরণি (- দ্বিধা হও), ধূলি (-কণা, গো-), পঞ্জি (দিন-, বর্ষ-), পদবি (পদ ও -), পন্থি (রাম-, মোল্লা-), পল্লি (-বধূ), প্রণালি (-বদ্ধ, রন্ধন-), বিপণি (-বিতান), বেদি (শহিদ-), বীথি (খেজুর-), বেণি (সর্পিল -), ভঙ্গি (অঙ্গ-, ভ্রু-), মসি (অসির চেয়ে – বড়), মঞ্জরি (পুষ্প-), মাঢ়ি (>মাড়ি), মৌলি (তুষার-), যুবতি (সদ্য -), রাখি (-বন্ধন), লহরি (সুর-), শ্রেণি (-কক্ষ, বৃক্ষ-), সঙ্গিন (রোগীর তো – অবস্থা), সরণি (বিজয়-), সারণি (Table), সূরি (পূর্ব-, উত্তর-), সূচি (কর্ম-), শাশ্মলি (-তরু)।

তৎসম শব্দে ই, ঈ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু সূত্র গুরুত্বপূর্ণ। যেমন-

১. স্বরসন্ধিজাত শব্দ

 ই + ই = ঈ

অতি + ইত =অতীত, অভি + ইষ্ট = অভীষ্ট, অতি + ইন্দ্রিয় = অতীন্দ্রিয়, প্রতি + ইতি = প্রতীতি।

ই + ঈ = ঈ

অভি + ইপ্সা = অভীপ্সা, অধি + ঈশ্বর = অধীশ্বর, পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা, প্রতি + ঈক্ষা = প্রতীক্ষা।

২. সমাসবদ্ধ শব্দ

ঈ > ই

কালীর দাস = কালিদাস, কালীর দহ = কালিদহ, পক্ষীর কুল = পক্ষিকুল, মন্ত্রীর সভা = মন্ত্রিসভা, প্রাণীর জগৎ = প্রাণিজগৎ, প্রাণীর বিদ্যা = প্রাণিবিদ্যা, প্রাণীর কুল = প্রাণিকুল, শশীর ভূষণ = শশিভূষণ, স্বামীর গৃহ =স্বামিগৃহ।

৩. প্রত্যয়সিদ্ধ শব্দ

ঈ + ত্ব > ই + ত্ব

একাকী + ত্ব = একাকিত্ব, কৃতী + ত্ব = কৃতিত্ব, দায়ী + ত্ব = দায়িত্ব, স্থায়ী + ত্ব = স্থায়িত্ব, স্বামী + ত্ব = স্বামিত্ব, সতী + ত্ব = সতিত্ব ।

ঈ + তা > ই + তা

উপযোগী + তা = উপযোগিতা, প্রার্থী + তা = প্রার্থিতা, প্রতিযোগী + তা = প্রতিযোগিতা, সহযোগী + তা = সহযোগিতা, সহমর্মী + তা = সহমর্মিতা।

ঈ + গণ > ই + গণ

আইনজীবী + গণ = আইনজীবিগণ, কর্মী + গণ = কর্মিগণ, কর্মচারী + গণ = কর্মচারিগণ, পরীক্ষার্থী + গণ = পরীক্ষার্থিগণ, প্রার্থী + গণ = প্রার্থিগণ।

তৎসম শব্দ বাদে বাকি সবই অ-তৎসম শব্দ। এ জাতীয় শব্দে ‘ই’ স্বীকৃত। যেমন-

১. অর্ধ-তৎসম শব্দ

গৃহিণী > গিন্নি (-পনা, -মা), ভগিনী > ভগ্নি (- নিবেদিতা), শ্রী > ছিরি (লোকটার কথার কী -), বিশ্রী > বিচ্ছিরি, প্রীতি > পিরিতি (বড়র – বালির বাঁধ)।

২. তদভব শব্দ

আকর্ষী > আঁকশি, কর্ণধারী > কাণ্ডারি (- হুশিয়ার), ক্রীড় > কেলি (জল-), কুম্ভীর > কুমির, গবী > গাভি (- বৃত্তান্ত), গন্ত্রী > গাড়ি (মোটর-), চক্র > চরকি, তিক্ত > তিতি (-বিরক্ত), দীর্ঘিকা > দিঘি, দেহলী > দেউড়ি, প্রতিবেশী > পড়শি, পক্ষী > পাখি, বংশী > বাঁশি (মেঠো -), বাটী > বাড়ি (বসত-, রাজ-), বিক্রয় > বিক্রি, বীজ  > বিচি (শিমের -), রাজ্ঞী > রানি (- মৌমাছি, মক্ষী-), শাটী > শাড়ি (- কুটির), শিম্বী > শুঁটি (মটর-), শীর্ষ > শিষ (ধানের -), সপত্নী > সতিন, হস্তী > হাতি (-বান্ধা, -শুঁড়),  স্ফুলিঙ্গ > ফুলকি,  স্থলী (Bag) > থলি (পিত্ত-), হীরক > হিরা, হুঙ্কার > হুমকি।

৩. দেশি শব্দ

উড়ি (-ধান), কুড়ি (২০), খড়ি (পাট-), খিড়কি (- দরজা), খুপি, খিলান, খুঁটি খুকি (ছোট্ট -), ঘুড়ি (- উৎসব), ঘটি (বাটি), চিংড়ি, চুঙি (ইটভাটার -), চুড়ি, ছড়ি (ফটিক-), ছিপি, ঝিঙা, ঝিলিক, ঝুলি (ঠাকুরমার -), ঝুপড়ি, টিপ (সিন্ধুর -/সিংহল দ্বীপ), টিলা (আলু-), টুকরি, ঢিবি (উইয়ের -), ডিঙি, ঢিল, থুতনি, দড়ি, ধুতি, ধিঙ্গি (> ধিঙি) , নেংটি, পাতিল, বিচালি, বঁটি, বাখারি (বাঁশের -), ভিটা, মুড়ি, মুড়কি, মেকি।

৪. বিদেশি শব্দ

আরবি শব্দ

আর্জি, ইহুদি, ইবলিস, উজির, উকিল, ওয়াজি, ওয়ারিশ, কাজি, কারসাজি, খালি (- ঘর), কোরবানি, খালাসি, খাসি (- মোরগ), খতিব, খলিফা, গরিব (গরিবে নেওয়াজ), গাফিলতি, গায়েবি, জরিপ, জরুরি, জলদি, জমিন (মানব-), জামিন, জিনিস, জিম্মাদার, তদারকি, তসবি, তাগিদ, দলিল, দাবি, নিমরাজি, নজির, নসিব, নসিহত, ফরিয়াদ, ফজিলত, বাকি, বেদুইন, মনিব, মর্জি, মঞ্জুরি (- কমিশন), মৌলবি, মিসকিন, মুরব্বি, শরিক, সুন্নি (- মুসলিম), হিজরি (- সন), হাবশি, হিসাব, হিস্যা।

ফারসি শব্দ

আমদানি, কারিগর, কাবিননামা, কারচুপি, কিশতি, খরিদ, খাকি (- পোশাক), খুন-খারাবি, খুশি, জমিদার, জিন্দা, জিঞ্জির, জিন্দিগি, দর্জি, দরিয়া (দিল-), দরকারি, দরদি, দেরি (পথে হলো -),  নিশান, নবিশ (শিক্ষা-), ফন্দি, ফিরিঙ্গি, বন্দেগি, বখশিস, বিবি (- মরিয়ম), বেশি, মালিশ, মির (-পুর), মুফতি, মুরগি, রপ্তানি, শিরনি, শেমিজ, সবজি, সরকারি, সুফি (-সাধক), হাজি (-পাড়া)।

ইংরেজি শব্দ

আর্দালি, এজেন্সি, কফি (- হাউস), কফিন, কিডনি, কেবিন (ঘোষ -), কোম্পানি (ইস্ট ইন্ডিয়া -), কেরোসিন, কৌঁসলি, চিমনি, জার্নি, জার্সি জেলি, জেটি, টিকিট, টিফিন, ট্রফি, ডায়রি, ডিশ, ডেপুটি, নোটিশ, পানসি, ফ্রি, ফেরি (-ঘাট), বান্ডিল, ব্রিটিশ, ব্যাটারি, রাবিশ, লাইব্রেরি, লেডি (- কেনি), স্টিমার, স্ট্রিট (র‌্যাংকিন -)।

অন্যান্য ভাষার শব্দ

পর্তুগিজ:  আলপিন, আলমারি, ইস্ত্রি (Iron), কামিজ, কেরানি, গির্জা, দাবি, টুপি (কিস্তি -), নিলাম, পাউরুটি,    

পাদ্রি, পিস্তল, পিপা (Dram), ফিতা, বালতি, মিস্ত্রি (কাঠ-), যিশু (Jesu)।

তুর্কি: উর্দি, কুলি, বাবুর্চি।

চিনা: এলাচি, চিনি, লিচু।

হিন্দি: কাহিনি, খিচুড়ি, গিরগিটি, চিঠি, চুটকি, পাগড়ি, রুপিয়া, লাড়কি।

পাঞ্জাবি: চাহিদা, শিখ।

অন্যান্য: কিরিচ (মালয়ি), নাৎসি (জার্মান), বর্গি (মারাঠি), লুঙ্গি (বর্মি), স্পুটনিক (রুশ)।

বাংলা শব্দের বানানে হ্রস্বস্বর ও দীর্ঘস্বর থাকলেও উচ্চারণে সর্বত্রই হ্রস্বস্বর (ই, উ) স্বীকৃত। এক্ষেত্রে একটিমাত্র ব্যতিক্রম দেখা যায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর উদাহরণ দিয়েছেন-

তুমি কি খেয়েছ ?

তুমি কী খেয়েছ ?

এখানে ‘কি’ প্রশ্নসূচক অব্যয় এবং ‘কী’ প্রশ্নসূচক সর্বনাম। কী মিষ্টি আম! (বিশেষণ)

সবশেষে কয়েকটি সূত্র উল্লেখ করা প্রয়োজন। ১. তৎসম শব্দের বানানে দীর্ঘস্বর (ঈ, ঊ)-এর ব্যবহার সীমাবদ্ধ। ২. ড. মুহম্মদ এনামুল হকের মতে- তদভব শব্দ (৬০%) বাংলা ভাষার প্রাণ, আর তৎসম শব্দ (২৫%) অলংকার। -মন্তব্যটি যুক্তিপূর্ণ। ৩. শব্দের উৎস ও উৎসভিত্তিক শ্রেণি সম্পর্কে জানাটা জরুরি। এবং তা থেকে আমরা বাংলা শব্দের উচ্চারণ ও বানানে ই, ঈ ব্যবহার সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পেতে পারি।

মমিনুল হক

সহকারী অধ্যাপক

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ

কীভাবে বাংলাদেশে শুরু করবেন একটি NGO এর কাজ by Sazzad Hossain

কীভাবে বাংলাদেশে শুরু করবেন একটি NGO এর কাজ ?

কীভাবে বাংলাদেশে শুরু করবেন একটি NGO এর কাজ ? তা কি জানেন! আমাদের দেশে অনেকেই আছেন যারা বিভিন্ন ধরনের এনজিও প্রতিষ্ঠা করতে চান। কিন্তু তাদের অনেকেই যানেন না কিভাবে আইনগত বৈধতার মাধ্যমে একটি এনজিও এর কার্যক্রম শুরু করতে হয়।আসুন জেনে নেই কিভাবে বাংলাদেশে একটি এনজিও এর কাজ শুরু করবেন।

বাংলাদেশে এনজিও এর কার্যক্রম অথবা কোন স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম পরিচালনা করার উদ্দেশ্যে দেশি কিনবা বিদেশি তহবিল পরিচালনা করার জন্য উক্ত সংস্থাকে প্রথমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট নিবন্ধিত হতে হবে এবং সরকারের নিয়ম কানন মেনে চলতে হবে।

কৃষি, ত্রাণ, মিশনারি, শিক্ষা, সাংস্কৃতিক, বৃত্তিমূলক, সামাজিক, কল্যাণ ও উন্নয়নমূলক সেবা প্রদানের জন্য যে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তার নিজের ইচ্ছামত সংস্থা (আংশিক বা সম্পূর্ণ বাহ্যিক সহায়তার মাধ্যমে)
প্রতিষ্ঠা করতে পারবে।তবে অবশ্যই সেটা সরকার অনুমোদিত হতে হবে।

একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারী সংস্থা (আইএনজিও) বা স্থানীয় ভিত্তিক বেসরকারী সংস্থা (এনজিও) নিবন্ধিত হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি আবেদনপএ দাখিল করতে হবে। এনজিও বিষয়ক ব্যুরো (এনজিওএবি) (যা বাংলাদেশের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে) এবং গৃহায়ন মন্ত্রণালয় হচ্ছে এই বিষয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।মূলত এদের কাছেই আবেদন দাখিল করতে হয়।

প্রথমত এনজিও বিষয়ক ব্যুরো (এনজিওএবি)এর নিকট রেজিস্ট্যেশন করতে হবে। তারপর নির্ধারিত ফরমে এনজিওএবি এর প্রয়োজনীয় ফি এবং আনুসাংগিক সকল প্রকার নথিপএ যেমন কার্যকলাপ প্রতিবেদন, অভিপ্রায় পত্র, সংবিধান, রেজিস্ট্রেশন ফি ইত্যাদি এবং ট্রেজারি চালানের অনুলিপি জমা দিয়ে আবেদন করতে হবে।

এনজিওএবি তে আবেদন জমা দেওয়ার পর এটি পরিক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য সামাজিক কল্যান মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠানো হবে ।নথিপএ গ্রহণের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পুলিশ ও বিশেষ গোয়েন্দা বাহিনীর ধারা আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তথ্য
তদন্ত করে একটি তদন্ত রিপোট পাওয়ার পর তা এনজিওএবি কে দেওয়া হলে তারাপর্যালোচনার ধারা ডকুমেন্ট চুরান্ত করে সামনে আগাবেন।

আবেদন অনুমোদনে যে বিষয় গুলো মন্ত্রণালয় বিবেচনা করবেন তা হলোঃ-
নিবন্ধীকরণের জন্য এনজিও টি কোন প্রকার রাষ্ট্র-বিরোধী কাজ কিনবা সমাজ বিরোধী কাজ কিনবা কোন অপরাধ মূলক কাজের সাথে জরিত কি না।আবেদন কারী সংস্থার সদস্যের মধ্যে পারস্পারিক সম্পর্ক কেমন,তাদের সামাজিক মর্যাদা,সামাজিক কল্যান মূলক কর্মকান্ড,পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা, তাদের নিজস্ব অফিস আছে কিনা ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করে কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিবে
আবেদন অনুমোদন দিবে কি না।যদি আবেদন অনুমোদিত হয় তাহলে উক্ত এনজিও টি বাংলাদেশে কাজ করার অনুমতি পাবে।অন্যথায় তা বাতিল বলে গন্য হবে।

উক্ত কার্যক্রম সম্পূর্ণ করবে ৯০ কার্যদিবসে।তবে ক্ষেত্রবিশেষে এটি ৬ মাস ও লাগতে পারে।

সাজ্জাদ হোসেন

প্রভাষক

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ

Daffodil College Alumni Md. Ali Emam(05-06)

চীনের সাংহাই ওশান ইউনিভার্সিটিতে PhD করছে আলী-ইমাম

আজকের গল্পটা যদি এভাবে শুরু হয়-

হে দারিদ্র, তুমি মোরে করেছ মহান,

তুমি মোরে দানিয়াছ খ্রীস্টের সন্মান,

কন্টক-মুকুট-শোভা।

কবির কন্ঠে সুর মিলিয়ে যদি বলি-দারিদ্রতাই মানুষের প্রতিভা ও অন্তর্নিহিত শক্তির প্রকাশকে সম্ভব করে তোলে-তাহলে বোধ হয় কিছু ভুল বলা হবে না। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজের ২০০৫-০৬ শিক্ষা বর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ আলি ইমাম প্রসঙ্গে যে কথাগুলো না বললেই নয়। আঘাত-সংঘাতের মধ্যেই ব্যক্তির সাহস ও সামর্থ্যের প্রকাশ ঘটে। আঘাত আসে আসুক, ব্যাঘাত আসে আসুক। পৃথিবীতে জীবন সংগ্রামের আছে সাফল্য, আছে ব্যর্থতা। তাতে কি যায় আসে ?

গত ২২/৭/২১ তারিখ অন-লাইনে কথা বলছিলাম ইমামের সাথে। অনেক ব্যস্ততার মাঝে সে কিছুটা সময় আমাকে দিয়েছিল যা রেকর্ডে ধারণ করেছিলাম, কয়েকবার কথাগুলো শুনেছি – জীবন কত বিচিত্র! এবার গল্পটা শোনা যাক ।

আমি মোঃ আলী-ইমাম । আমি চীনের সাংহাই ওশান ইউনিভার্সিটিতে ডক্টরাল ডিগ্রি করছি এবং আমার গবেষণার বিষয় Fishery Economics । আমি  চীনের নানজিং তথ্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিনান্সে ২০১৯ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি  অর্জন করেছি। মালয়েশিয়ার মালভার্ন ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি থেকে বিজনেস স্টাডিজ এ ২০১৭ সালে ডিপ্লোমা অর্জন করেছি। ২০১৩ সালে বাংলাদেশের  আতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি নিয়ে মালয়েশিয়াতে এসেছিলাম কর্মসংস্থানের জন্য। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ থেকে ঢাকা বোর্ডের অধীনে ২০০৭ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি।

এবার পেছনের কথাগুলো বলতে চাই। আমার এসএসসি পরীক্ষা শেষ করার পরে আমার শিক্ষার খরচ বহন করা আমার বাবা-মায়ের পক্ষে সম্ভব ছিল  না। কারণ, আমার আরও ছয়টি ভাই-বোন  ছিল ।

আমি সত্যিই দুশ্চিন্তায় ছিলাম, এরপর  কী হবে আমি কিছু ভেবে পাচ্ছিলাম না। আমি কি আর পড়াশোনা চালিয়ে  যেতে পারবো না ? ছোটবেলা থেকে ইচ্ছে, উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে মাথা উচু করে বাঁচবো।

এমন সময় সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আমি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ সম্পর্কে জানতে পারি । জিপিএ -এর ভিত্তিতে  ৫০%  ছাড়ে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ আছে। ব্যাপারটা তখনই আমার বাবা- মায়ের সাথে আলোচনা করি। এবং আমার বাবা আমার এক আত্মীয়ের  কাছ থেকে  ভর্তির জন্য টাকা ধার করে আনেন। ভর্তি ফি জোগাড় হওয়ার পরে  কলেজে ভর্তি হলাম বটে, কিন্তু  আমি পড়াশোনার জন্য বই কিনতে পারিনি। এমনকি নিয়মিত কলেজ টিউশন ফিও দিতে পারছিলাম না। তবে আমি ভাগ্যবান যে, আমাদের তৎকালীন অধ্যক্ষ মহোদয় জামশেদুর রহমান স্যার আমাকে বই এবং আর্থিক সহায়তা দিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে প্রচুর সহযোগিতা করেছিলেন ।

আমি  অধ্যক্ষ জামশেদুর রহমান স্যারকে ধন্যবাদ জানাই তার সমর্থন ব্যতীত এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া আমার পক্ষে সত্যিই কঠিন ছিল ।

ড্যাফোডিল কলেজের পরিবেশ, সেই সময়কার শিক্ষকবৃন্দ, সিনিয়র অফিসার রুনা ম্যাডাম এবং মাসুম ভাইয়ের প্রত্যেক শিক্ষার্থীর সাথে আচরণ অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ ছিল। রুনা ম্যাডাম সর্বদা শিক্ষার্থীদের সমস্যা জানার ও বুঝার জন্য আন্তরিকভাবে কথা বলতেন এবং তাদের সমস্যা সমাধান করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতেন । সবসময় সবাইকে ভালোভাবে পড়ালেখার ও ভালো রেজাল্টের জন্য উৎসাহিত  করতেন ।

জামশেদুর রহমান স্যারের সহায়তায় এইচএসসি পরীক্ষা সফলভাবে শেষ করেছি বটে, তবে আমি আরও পড়াশোনা করতে চাই, কিন্তু কীভাবে? আমি বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিলাম, তবে আমি স্বপ্ন দেখেছি এবং আমার সদিচ্ছাই আমাকে এগিয়ে নিয়েছে । স্নাতক ডিগ্রি পড়ার সময়ে, আমি আমার মাকে হারিয়েছিলাম যিনি সর্বদা আমাকে সমর্থন করেছিলেন এবং তিনি আমার জন্য সবকিছু করতে প্রস্তুত ছিলেন। আমার প্রতিটি সিদ্ধান্তই মায়ের চোখে ঠিক ছিল। মায়ের হঠাৎ মৃত্যু আমার গোটা বিশ্বকে অন্ধ করে দিয়েছিলো । এক বছর ভালো করে পড়ালেখায় মনোযোগ দিতে পারি নি কিন্তু হাল ছাড়িনি, অক্লান্ত পরিশ্রম করে স্নাতক ডিগ্রি শেষ করি । আমি যখন মালয়েশিয়ায় ছিলাম, বাবা পরপারে চলে গেলেন ।  তখন ফাইনাল পরীক্ষা ছিল, বাবার জানাজায় অংশগ্রহণ করতে পারিনি। 

জীবনে ভালো কিছু পেতে হলে অনেক সময় অনেক ত্যাগও করতে হয় এটাই বাস্তবতা । 

শিক্ষা জীবন সত্যই আনন্দময়, একজন শিক্ষার্থী যদি সত্যিই নিজ হৃদয়ের কথা শুনে এবং অনুভব করে তবে সে বিজয়ী হবে ।

একজন শিক্ষার্থীর সবসময় মনে রাখতে হবে ” দিনের শেষে সে নিশ্চয়ই বিজয়ী হবে “

ধূমপান ও এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিলুফা ইয়াসমিন জুলাই ২১

ধূমপান ও এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

ধূমপান থেকে বিরত থাকুন, নিজের জীবনকে ভালোবাসুন

ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর- আমরা সবাই জানি, এ সত্যটা জেনেও আমরা ধূমপান করি।

ধূমপানের কারনে যে ক্ষতি হয় সেটি হয় খুব ধীর গতিতে এবং শরীরের ভিতরে হয়, এজন্য

আমরা এর ক্ষতিটা খুব একটা বুঝতে পারি না। ধুমপানের কারনে শুধু যে আমি নিজে ক্ষতিগ্রস্ত  

হচ্ছি তা নয়, আমার আশেপাশে যারা আছে, তারাও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। যেমন- আমি আমার

সন্তানকে আমার জীবনের চেয়েও ভালবাসি অথচ আমি জানিনা আমার আদরের সোনামনি কতটা

ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমি ধূমপান করার কারনে। অনেক সময় অনেক বাচ্চা নিউমোনিয়া নিয়ে

জন্মগ্রহণ করে ,বেশিরভাগ বাচ্চার এই রোগের কারন ধূমপান করা বাবা, এঁটা অনেক  

পরিসংখ্যানে বেরিয়ে এসেছে। শুধু তাই নয়, বাচ্চাদের ফুসফুসের সমস্যা, হার্টের সমস্যা,

কিডনির সমস্যা ইত্যাদি নানাবিধ সমস্যাও এই কারনে হয়।

আমরা যারা মুসলমান তাদের জন্য ধূমপান করা হারাম ( সূরা আল আরাত) এবং কবিরা গুনাহ (

কারন আমরা এটা প্রতিনিয়ত করছি)। অনেকে আবার বলেন, আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি

আল্লাহ আমাকে মাফ করে দিবেন- হ্যা আল্লাহ কাকে কি দিয়ে মাফ করবেন সেটি মহান আল্লাহ

তালাহই যানেন, তবে নামাজ আদায় করলে সেটি আমাদের পূন্যের পাল্লায় যাবে, আর ধূমপান

করলে গুনাহের পাল্লায় যাবে। তবে গুনাহের কাজ করলে মানুষ ধীরে ধীরে সেদিকেই ধাবিত হয়

এবং পূন্যের কাজ ছেড়ে দেয়।

আমরা যারা ধূমপান করি ধূমপানের ফলে এগুলো দেহের ভিতরে বিশেষ করে ফুসফুসে প্রবেশ

করে দেহকে অসুস্থ করতে শুরু করে । সিগারেটে যে রাসায়নিক উপাদান থাকে তার মধ্যে

নিকোটিন, আর্সেনিক, মিথেন, অ্যামোনিয়া, কার্বন মনোক্সাইড, হাইড্রোজেন, সায়ানাইড  

ইত্যাদি প্রধান। একজন অধুমপায়ী যে কাজ চটজলদি করতে পারে, সে কাজ ধূমপায়ীর জন্য

অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ও সময় সাপেক্ষ প্রমানিত হয়। ধুমপানের কারনে COPD রোগ হয় এটি

ফুসফুসের রোগ। যারা ধুমপান করেন তারা সাধারনত এই রোগটি সম্পর্কে যানেন না, কারন

তারা যদি জানতেন তাহলে অবশ্যই এটি ছেড়ে দিতেন। অনেকের ধারনা ধুমপানের কারনে

ক্যান্সার হয়, এটি সত্য কথা কিন্তু তার চেয়েও মারাত্মক রোগ হলো COPD ২০১৯ সালে

WHO এর পরিসংখ্যানে

১ নং-হার্ট ডিজিজ

২ নং – স্ট্রোক

৩ নং- ক্যান্সার

৪ নং- COPD

COPD – এটি ২০২০সালে তিন নম্বরে সংক্রমনের দিকে এগিয়ে এসেছে, এটি মারন ব্যাধি এবং

এটি সৃস্টি হয় ধুমপানের কারনে। এটি চিকিৎসায় ভালো হয় না এবং এটি হলে মানুষ ধীরে ধীরে

মৃতে্যুর দিকে ঢলে পড়ে। এটি সিস্টেমিক ডিজিজ। এটির কারনে শরীরের সব অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়,

শরীরে পানি চলে আসে, হার্ট অ্যাটাক হয়, হার্ট ফেইলর হয়, কান্সার হয়।

আসুন আমরা সবাই ধূমপান পরিহার করি, COPD থেকে মুক্ত থাকি এবং নিজের জীবনকে

ভালবাসি।

নিলুফা ইয়াসমিন

সিনিয়র লেকচারার

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ

কলেজ জীবনের দুটি বছর

কলেজ জীবনের দুটি বছর

কলেজ জীবনের দুটি বছর

এইতো সেদিন! চোখের নিমিষে চলে গেল ১৮ টি বছর। ২০০৩ থেকে আজ ২০২১ সাল। কলেজ পড়ুয়া ছেলে-মেয়েদের সাথে আমার দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের ১৮ বছর অতিক্রম করলাম। প্রতিবছর নতুন নতুন ছেলে মেয়ে। নবীন বরণ এর মাধ্যমে আমরা ওদেরকে বরণ করে নেই। দেখতে দেখতে চলে যাওয়ার সময় হয়ে যায় ওদের। এ যেন অন্য রকম অনুভুতি!

 “কেউবা লম্বা, কেউবা খাটো, কেউবা ফর্সা , কেউবা কালো -সবাই আমার প্রিয়। ওদেরকে অনুভব করা যেন আমাদের দায়িত্ব।

আমরা বলি এরা কথা শোনেনা, ওরা লেখাপড়া করে না, নিয়মিত না, মনোযোগী না। আবার কেউ অধিক মনোযোগী, কোনদিন ক্লাস মিস করেনি। কেউবা শুধু নিজের লেখাপড়া নিয়ে ব্যস্ত, কেউবা বন্ধুর পড়া হলো কিনা সেটাই নিয়ে ব্যস্ত।

আসলে তো ওরা ছোট। যদিও ওরা কলেজে পড়ে, শুধু হাতে পায়ে লম্বা হয়ে বেড়ে উঠেছে  কিন্তু মনটা রয়ে গেছে শিশুসুলভ।

কলেজ এবং ইউনিভার্সিটির মধ্যে পার্থক্যটা মাত্র ২ বছর। কিন্তু একটা কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী এবং

বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীর মধ্যে পার্থক্যটা অনেক। দুই বছরেই ছেলেমেয়েদের মধ্যে আমূল পরিবর্তন।

 দায়িত্ববোধ বেড়ে যাওয়া, নিজের প্রতি এবং পরিবারের প্রতি সচেতন হওয়া, নিজের লেখাপড়ার প্রতি মনোযোগী হওয়া সবই যেন জাদুর মত পরিবর্তন হয়ে যায়। কেউ কেউ যে ব্যতিক্রমী নয় তা নয় তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই রকম দেখা যায়।

এমনো দেখা যায়, যে শিক্ষার্থীর পিছনে সারাক্ষণ লেগে থেকে তাকে তৈরি করতে হয়েছে, পথ দেখাতে হয়েছে, সেই শিক্ষার্থীর পথই আমরা এখন অন্য শিক্ষার্থীকে দেখাচ্ছি। এইতো আমাদের জীবন!

কলেজ জীবনের দুইটা বছর অনেক গুরুত্বপূর্ণ ।এটা একটা ঝুলন্ত সেতু। সেতু টা খুব সাবধানে সময়ের মধ্যেই পার হতে হয়। একটু বাঁকা হলেই পড়ে যেয়ে বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। আমরা শিক্ষকরা ছেলেমেয়েগুলোকে দেখাশোনা করছি, জ্ঞানদানের চেষ্টা করছি, আমরা হলাম ওই সেতুর খুঁটি। আমরা যত মজবুত হবো ততই ওদের সেতু শক্ত হবে, ঝাঁকুনি কম লাগবে।

আমরা ওদের দেখাবো স্বপ্ন। সেতু পার হলেই যে রয়েছে স্থায়ী ঠিকানা। নিজের ক্যাম্পাস, নিজের বিশ্ববিদ্যালয়। স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য আমাদের চেষ্টা চলে সবসময়। যদি ওরা একবার‌ স্বপ্নটাকে লালন  করতে পারে, নিজের বলে ভাবতে পারে, তাহলেই আমরা সার্থক। ওদেরকে আর আমাদের ঠেলতে হবে না। ওরা নিজেই শিক্ষক এবং অভিভাবকে ঠেলবে, স্বপ্ন বাস্তবায়নে সাহায্য করার জন্য। আমরা ওদেরকে ওই জায়গায় নিয়ে যেতে চাই।

সকল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীর কাছে আমার আহ্বান তোমরা সাবধানে সেতুটা পার হও। আনন্দ করো, আমাদেরকে আনন্দিত করো।

রওশন আরা ফেরদৌসি

অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রিন্সিপাল

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ

পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সচেতনতা By Mominul Huq Sir DIC

পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সচেতনতা

পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সচেতনতা

থুতু অথবা থু!

স. থুৎ > থুথু > থুতু।

এটা তুচ্ছ একটা জিনিস। তবু এ নিয়ে দুয়েকটি কথা বলা প্রয়োজন, যাতে, আমরা এর গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারি।

উন্নত দেশগুলোতে সাধারণ মানুষের শিক্ষা ও রুচি উন্নত। তারা পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন। সেহেতু তারা যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ও থুতু ফেলে না। কিন্তু অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর চিত্র ভিন্ন।

মূল-মূত্র বর্জ্য পদার্থ। এগুলো আমরা ত্যাগ করি। কিন্তু থুতু ?

আমাদের মুখগহ্বরের লালাগ্রন্থি (salivary gland) থেকে নিঃসৃত একপ্রকার আঠাযুক্ত তরল পদার্থ হচ্ছে লালা বা লালারস। এগুলো মুখগহ্বরকে রাখে আর্দ্র- যার ফলে আমরা কথা বলতে পারি ;  খাদ্যদ্রব্য চিবিয়ে খেতে ও গিলতে পারি। সেহেতু লালারস-এর অন্য নাম পাচক রস । তাছাড়া লালারস অ্যানজাইম ও প্রোটিনসমৃদ্ধ।  কিন্তু লালারস যখন মুখগহ্বর থেকে বাইরে ছুঁড়ে ফেলি, তখনি আমরা একে বলি-  থুতু।

চিকিৎসাশান্ত্রমতে, থুতু বর্জ্য পদার্থ নয়। তবু আমরা যত্রতত্র থুতু ফেলি কেন? প্রথমত আমরা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সম্পর্কে অসচেতন। দ্বিতীয়ত এটা একটা বদভ্যাস।

আমাদের জানা প্রয়োজন, থুতুতে রোগ-জীবাণু মিশে থাকে। যেমন, যক্ষ্মার জীবাণু। তাছাড়া ভাইরাসজনিত বিভিন্ন রোগের জীবাণুও মিশে থাকে। ময়লা-আবর্জনা ও থুতু শুধু পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়, সৌন্দর্যহানিকরও বটে। অতএব যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ও থুতু ফেলা থেকে আমাদেরকে বিরত থাকতে হবে।

কিন্তু আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অভিজ্ঞতা কী ?

শিক্ষার্থীরা আঙুলের ডগায় থুতু মেখে বইয়ের পাতা ওল্টায়, দোকানি আঙুলে থুতু মেখে ময়লা টাকা গোনে, লোকেরা পান খেয়ে যত্রতত্র পানের পিক ফেলে, রোজাদাররা রোজা রেখে ঘন-ঘন থুতু ফেলে। দুর্গন্ধ নাকে লাগলেই পথ-চলতি লোকেরা নাক-মুখ ঢাকে এবং থুতু ফেলে। যেন এগুলো আমাদের সংস্কৃতিরই অংশ। ধরা যাক, পথ চলতে গিয়ে কফ-থুতু বা কলার খোসায় পা-পিছলে একটা লোক মারাত্মকভাবে জখম হলো। এর দায় কে নেবে ?

থুঃ (Damn it !) – এর শিষ্ট কথ্যরূপ থু বা থুক। এটা ঘৃণা ও অবজ্ঞাসূচক শব্দ। যেমন, তুমি এতটা নীচ, থু! কাঁঠালের কোষগুলো পচা, থুক! বলা বাহুল্য যে, থুতুর সঙ্গে থু বা থুক সম্পর্কযুক্ত।

এটা ঠিক, থুতু একটা নোংরা বা বিচ্ছিরি জিনিস। কিন্তু এর নানা প্রকার ব্যাখ্যা ও তাৎপর্য আছে।

ধরা যাক, দুজন পূর্ব-পরিচিত ভদ্রলোক রাস্তার দুদিক থেকে এগিয়ে আসছে। কাছাকাছি এসেই একজন রাস্তার পাশে ফিরে থুতু ফেলল। অন্য ভদ্রলোকটি কী ভাববে ? ওই থুতু বিরক্তি ও অবজ্ঞার ইঙ্গিত নয়তো?  তিনি নিঃসন্দেহে একটু বিব্রতই হবেন। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’-তে (১৯৪৮) বালিকাবধূ জমিলার নির্দয় বয়ষ্ক স্বামী মজিদ মৌলবির মুখে থুতু ছুঁড়ে দেয়। প্রশ্ন হচ্ছে, তার এ আচরণের মর্মার্থ কী ? উত্তর হচ্ছে, এটা তার আত্মবক্ষার শেষ অস্ত্র। এটা তীব্র ঘৃণা ও অবজ্ঞার প্রতীক।

প্রবাদে আছে, ‘থুতু কেউ ওপরের দিকে ফেলে না।’ প্রশ্ন হচ্ছে, তাহলে কোথায় ফেলে ? উত্তর হচ্ছে, ডানে-বাঁয়ে বা আশেপাশে ফেলে। বলাই বাহুল্য যে, আমাদের সমাজে নিন্দুক ও ছিদ্রান্বেষী লোক বেশি। সেখান থেকেই এই প্রবাদের উৎপত্তি।

অতএব থুতু ক্ষুদ্র হলেও তুচ্ছ নয়। থুতু যত্রতত্র ফেলা সৌজন্যসূচকও নয়। সেহেতু কোনো-কোনো অফিস-আদালতের দেয়ালে লেখা থাকে- ‘যত্রতত্র থুতু ফেলবেন না।’

মমিনুল হক

সহকারী অধ্যাপক

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ