rsz_img_20231025_124605

নবীনবরণ ২০২৩

“ফাগুনের নবীন আনন্দে গান খানি গাঁথিলাম ছন্দে; দিল তারে বনবীথি কোকিলের কলগীতি, ভরি দিল বকুলের গন্ধে।”

নানা উৎসাহ এবং উদ্দীপনার সাথে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজের একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উদযাপিত হলো ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ উৎসব। উৎসবে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজের অধ্যক্ষ জনাব শিবলী সাদিকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব এস.এ.এম রফিকুন্নবী,অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল, ডিরেক্টরেট অফ আইসিটি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. সাখাওয়াত হোসেন, অধ্যক্ষ, ডিআইআইটি। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান, অধ্যক্ষ ডিআইএস। আলোচনা সভার পর শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

Blog-Template-5

“কিভাবে বাড়াবো যোগাযোগ-দক্ষতা”

চাকরিদাতা, সফল উদ্যোক্তা পেশা পরামর্শকদের কথায় ইদানীং বারবার ঘুরেফিরে আসে ‘কমিউনিকেশন স্কিল’ বা ‘যোগাযোগ–দক্ষতা’র কথা। যে পেশাই আমরা বেছে নেন না কেন, এ বিষয়ে দক্ষ আমাদের হতেই হবে। তাই এ জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো আমাদের ছাত্রজীবন। কিভাবে আমরা কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় যোগাযোগের ক্ষেত্রে আরও দক্ষ হয়ে উঠতে পারি, সে ধারাবাহিক কিছু কথা।

বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে ধারণা রাখুনঃ- কেউ ভালো লেখেন, কেউ ভালো বলেন, কেউ ভালো শ্রোতা, কেউবা দারুণভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে জানেন (প্রেজেন্টেশন দেন)। যোগাযোগ–দক্ষতা বিকাশের জন্য সব রকমের যোগাযোগেই নিজেকে সাবলীল ও দক্ষ করে তুলতে হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলা ও ইংরেজিতে সাবলীলভাবে বলা ও লেখা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি কোনো কিছু বুঝে পড়া এবং মন দিয়ে শোনাও খুব জরুরি। আপনি যা বলছেন, তা আরেকজন বুঝতে পারছে কি না, কিংবা আপনি অন্যের কথা বুঝতে পারছেন কি না—দুটিই যোগাযোগ–দক্ষতার ওপর নির্ভর করে।

অনেক পড়তে হবেঃ- আমরা খুব সরলভাবে বলে পারি, যাঁরা অনেক পড়েন, তাঁরা অনেক বিষয় সম্পর্কে খোঁজ রাখেন। কাগুজে বই-সাময়িকী-সংবাদপত্র হোক, কিংবা ইন্টারনেটে ই-পত্রিকা, ই-সাময়িকী বা পেশা- বিজ্ঞান – ব্যবসাবিষয়ক কোনো পোর্টালই হোক না কেন, নিয়মিত চোখ রাখলে সাম্প্রতিক সব বিষয় সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। “যোগাযোগ–দক্ষতা বিকাশের জন্য যখনই কোনো লেখা পড়ছেন, মাথায় ‘ফাইভ ডব্লিউ-এইচ’ নামের সূত্রটি গেঁথে নিতে হবে। ফাইভ ডব্লিউ-এইচ হলো হু, হোয়াট, হোয়্যার, হোয়েন, হোয়াই ও হাউ”। লেখাটি লেখক কেন লিখেছেন, কার জন্য লিখেছেন, কোন পরিপ্রেক্ষিতে লিখেছেন, কী কী বিষয় তুলে ধরা হয়েছে, কোন কোন বিষয় যুক্ত করা যেতে পারে, আপনি লিখলে কীভাবে লিখতেন—এসব মাথায় দ্রুত এঁকে ফেলতে হবে। যত বেশি পড়বেন, যত জানবেন, কথা বলার সময় আপনি তত আত্মবিশ্বাস পাবেন। জানার ঘাটতি থাকলে বুঝিয়ে বলা ও শুনে বোঝা—দুটি কাজই কঠিন হয়ে যায়।

অনুসরণ করতে হবেঃ যোগাযোগ–দক্ষতা বিকাশের জন্য বক্তৃতা (পাবলিক স্পিকিং) বা নিজের ভাবনা উপস্থাপন করার (প্রেজেন্টেশন) কৌশল জানতে হবে। আপনি নিজেকে দক্ষ করে তুলতে চাইলে যেকোনো বিখ্যাত ব্যক্তির কৌশলগুলো সহজে অনুসরণ করতে পারেন। ইউটিউবে পৃথিবীখ্যাত ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তাসহ বিভিন্ন স্পিকারের বক্তব্য দেওয়ার কৌশল নিয়ে অনেক ভিডিও দেখতে পাবেন। এ ছাড়া পড়তে পারেন ক্রিস অ্যান্ডারসনের লেখা টেড টক: দ্য অফিশিয়াল টেড গাইড টু পাবলিক স্পিকিং। এছাড়াও আমাদের দেশে এখন অনেক প্রতিষ্ঠান এবিষয়ে বিভিন্ন ধরনের কোর্স চালু করেছে। তাই চাইলে সেখানে আপনি আপনার দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কোর্স গুলো করতে পারেন। তবে অবশ্যই কোর্স করার পূর্বে কোর্স প্রদান কারী প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ভালোকরে খোঁজ নিবেন। এটি বাংলা প্রবাদ প্রচলিত আছে, “চকচক করলেই সোনা হয় না”

লেখা: মহিউদ্দিন সুমন

প্রভাষক, উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ, ঢাকা

Blog-Template-2

Importance of ‘Co-curricular Activities’ to build up Self-confidence

In the 21st century, the world is changing fast. That is why, the conventional education

 curriculum which was developed in the early 20th century, has to pave the way to a new kind of 

education and learning which is related to our day to day living and plays a vital role to build up

 career and personality. Co-curricular activities are different from academic activities. It is true

 that much of our intellectual development happens, to a great extent, in the classroom but it is

 not enough to survive in life.  Students can participate in co-curricular activities besides their

 academic activities. These activities give unique experience of life, these activities make one

 smart and wise. These activities encourage to expose hidden talents. It helps to the students to 

become aware of time management and more responsible. It helps the learners to be confident, 

problem solving and reasoning. When these activities blended with academics, it will help the

students learn  effectively. It will also give them an opportunity of thinking unusually and getting

 the innovative ideas and above all to be self-dependent.

There are many co-curricular activities like- debate, recitation, singing songs, dancing, public 

speaking, extempore speech, library work, social service etc. These are the activities through

 which a learner can strengthen the classroom learning as well as other activities both inside and 

outside the classroom.

The students who engage themselves in these co-curricular activities, can achieve better results 

in their academic ground. Their academic performance develop day by day as they learn how to

 balance their co-curricular activities with their academic pursuits. Moreover, they better 

understand how to manage their time effectively and also increase their interest in the classroom.

 So, it is essential to understand the importance of co-curricular activities in improving academic 

performance. In other words, co-curricular activities enable a learner to digest his academic

 studies and make him/her to be confident in every sphere of practical life. In this competitive

 era, co-curricular activities also play a vital role to build up a better career for the learners. 

Because it broadens new horizons for them. It makes the students feel happier, stronger, 

confident and more likely to lead a healthy and active life style.

Now we are passing a very critical situation. In a normal situation, Pre Covid-19, all 

extracurricular activities for the students took place in academic environment. Though it is not 

possible in this current pandemic situation, students can involve themselves virtually in many

 co-curricular activities. And it helps them to be fit mentally removing their mental stress. In this 

connection, Virtual club activities can be implemented during the pandemic. Through Google 

meet or Zoom, students can participate in interactive session where they can share their 

experience and receive suggestion from the experts. Now at this moment, they can more involve 

in many indoor activities like crafts, creative writings, gardening, graphic designs etc. 

By the above discussion, we can say that the students engaging through co-curricular activities 

can learn essential values about different religions, events, cultures of national and international

 importance as well as discipline. They also learn to understand different values, social ethics, 

motivational skills, capability of  accepting  challenges, self-dependent, self-contentment etc.

 In order to make the new generation all-rounder and self-reliant, co-curricular activities should

 be integrated in the educational sector compulsorily.

Writer: Sanchita Nargees

Sr.Lecturer, English

Daffodil International College, Dhaka

National Mourning Day Notice

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ
বিজ্ঞপ্তি— ৬০

ডিআইসি/নোটিশ/একা/২০২৩ তারিখ: ১৩.০৮.২০২৩ খ্রি:

কলেজের সকল শিক্ষার্থীকে জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ১৫ আগস্ট ২০২৩, মঙ্গলবার, সকাল ১০টায় কলেজপ্রাঙ্গণে জাতীয় শোক দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হবে। এ উপলক্ষে ১৪ আগস্ট কলেজে রচনা ও চিত্রাঙ্কন (বিষয়: শোকাবহ আগস্ট) প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। অংশগ্রহণেচ্ছু শিক্ষার্থীদের ১৪ তারিখ পরীক্ষার পর উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো।

মো: শিবলী সাদিক
অধ্যক্ষ
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ, ঢাকা

Disiplinary Notice

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ
বিজ্ঞপ্তি— ৬৩

ডিআইসি/নোটিশ/প্রশা—২০২৩ তারিখ: ২৮.০৮.২০২৩ খ্রি:

কলেজের একাদশ শ্রেণির সকল শিক্ষার্থীকে জানানো যাচ্ছে যে, ২৯ আগস্ট ২০২৩ মঙ্গলবার থেকে সকাল ৮:৪৫মিনিটের মধ্যে যথাযথভাবে হেয়ার—কাট, ব্ল্যাক সু, টাই (ছেলেদের) ইউনিফর্ম (প্রাতিষ্ঠানিক পোশাক) এবং আইডি কার্ড পরিধান করে কলেজে আসতে হবে। এর ব্যতয় ঘটলে শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মো: শিবলী সাদিক
অধ্যক্ষ
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ, ঢাকা

357541538_676471314526070_7946704833926880397_n

Talent Hunt 2023

শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টির লক্ষ্যে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ রাজধানীর বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজন করে ‘মেধা অন্বেষণ ২০২৩’। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় জমজমাট প্রতিযোগিতা। প্রিয় শিক্ষার্থীরা, তোমাদের সোৎসাহ আগমনে আমরা ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ পরিবার আনন্দিত, উদ্দীপিত এবং উজ্জীবিত।

366067881_688296623343539_7692518977337753278_n

এইচ এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান ২০২৩

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজে আজ এইচ এস সি পরীক্ষার্থীদের জন্য বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান এর আয়োজন করা হয়। সেই সাথে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এডমিট কার্ড বিতরন করা হয়। এইচ এস সি পরীক্ষার্থীদের জন্য রইল ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজের পক্ষ থেকে শুভকামনা।

Your-paragraph-text-6

মহিষ কি কালো না ব্ল্যাক ডায়মন্ড!

মহিষ একটি অতি পরিচিত প্রাণী। সবাই কমবেশি তাকে চিনে, চেহারায় না চিনলেও কথায় কথায় সবাই মহিষের নাম বলে যেমন- কারও চেহারা কালো হলেই সবাি তাকে বলে তুই মহিষের মতো। যার ইংরেজি নাম- Bull বৈজ্ঞানিক নাম – Bos taurus এই প্রাণীটি পানিতে নামলে উঠতে চায় না, এবং আনন্দে মেতে ওঠে। দেখতে কালো হলেও আসলে এর গুন অনেক- 

১. মহিষের দুধ অনেক উপকারী, মহিষের দুধে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। যা হাড়ের 

    বিকাশের জন্য অধিক দরকারী এবং অস্টিওপোরোসিসের ঝঁকি কমায়।

২. ক্যালসিয়াম হাড়ের বিল্ডিং ব্লক হিসাবে পরিচিত, নিয়মিত মাহিষের দুধ পান করলে এর থেকে 

    রেহাই পাওয়া যায়।

৩. মহিষের দুধে তামা, ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস এবং জিঙ্কের মতো অন্যান্য খনিজ পদার্থও থাকে যা 

    হাড়কে মজবুত করতে সাহায্য করে।

৪. মহিষের দুধে ঘুমকে প্ররোচিত করার বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তাই আপনি যদি রাতে ভালো ঘুম চান 

    এবং যাদের রাতে ঘুম আসে না, তার মহিষের দুধ খেলে এ অবস্থা থেকে রেহাই পাবেন।

৫. গরুর দুধের তুলনায় মহিষের দুধে প্রোটিন, চর্বি এবং ল্যাকটোজ বেশি থাকে। 

৬.  যাদের ওজন বেশি অর্থাৎ যাদের  স্থুলতা রয়েছে তাদের জন্য মহিষের দুধ খুবই উপকারী, কারন 

     এতে ফ্যাটির চেয়ে বেশি ক্যালোরি রয়েছে।

৭. মহিষের দুধে পাওয়া যায় মহামূল্যবান ভিটামিন-D যা সচরাচর খুব একট খাবারে পাওয়া 

    যায় না। সাধারণত সূর্যের আলো থেকে ভিটামিন-D প্রচুর পরিমানে পাওয়া যায়। ভিটামিন-D হাড়, 

    নার্ভ, মাংসপেশিকে সচল রাখে।

মহিষের মাংসের উপকারিতা:

এটি লাল মাংস বা রেডমিট নামে পরিচিত।

১. গরুর মাংসের চেয়ে ১০% কোলেস্টোরলের পরিমান কম থাকে, তবে আমিষের পরিমান, 

   আয়রনের পরিমান, বি১২ বেশি থাকে, শিশুদের বৃদ্ধিতে এবং মানসিক বিকাশে সাহায্য করে।

২. ৭০% কোলেস্টরল কম, চর্বি কম, এলার্জি থাকে না, আয়রন বেশি থাকে যা মানুষের দেহে রক্ত 

    তৈরি ও রক্ত স্বল্পতা দূর করে, লো-প্রেসার দূর করে।

৩. এতে আয়রনের পরিমান বেশি থাকায় এটি গর্ভবতি মায়েদের আয়রনের ঘাটতি পূরণ করে।

৪. মহিষের মাংস হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, কারণ এতে চর্বির পরিমান মাত্র ২ শতাংশ।

৫. যারা বাতব্যাথার ভয়ে গুরুর মাংস খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন, তারা নির্ভয়ে এটি খেতে পারেন।

জাতিসংঘের খাদ্য  ও কৃষি সংস্থা এবং যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিবিভাগসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার গবেষণায় দেখা গেছে, গুণগত মানের দিক থেকে গরুর মাংসের চেয়ে মহিষের মাংস অত্যন্ত স্ব্যাস্থ্য সম্মত।

পবিত্র কুরআনের সূরা ইয়াসিন আয়াত ৭২ ও ৭৩ নং আয়াতে, আল্লাহতাআলা বলেছেন, আমি চতুষ্পদী কতকগুলো প্রাণীকে মানুষের বশীভূত করে দিয়েছি, সেগুলো তারা বাহন এবং কতক তারা ভক্ষণ করে, মহিষ চতুষ্পদী প্রাণী, এটি দ্বারা আমরা গাড়িটানি এবং এর মাংস ও দুধ ভক্ষণ করি, এটি আমাদের জন্য পরিপূর্ণ হালাল একটি প্রাণী- সূরা আল নাহল।

যারা দৈনন্দিন খাদ্য তালিকা থেকে মাংস বাদ দিয়ে দিয়েছেন তারা নির্দ্বিধায় মহিষের মাংস যোগ করতে পারেন। 

আসলে প্রাণী জগতের প্রাণীদের মধ্যে মহিষ একটি  ব্ল্যাক ডায়মন্ড। 

লেখা: মিস নিলুফা ইয়াসমিন

সিনিয়র প্রভাষক, জীববিজ্ঞান

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ, ঢাকা

364264290_685986216907913_2574418461285194265_n-2

কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ২০২৩

বর্ণিল আনন্দের আলোকচ্ছটায় উদ্ভাসিত হলো ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজের এইচএসসি উত্তীর্ণ ২০২২ ব্যাচের কৃতি শিক্ষার্থীরা। কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মানে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো প্রাণবন্ত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট ও সনদপত্র দিয়ে সংবর্ধিত করা হয়।

365699900_689234486583086_7932306111476877592_n-1

National Mourning Day 2023

Bloody August 15, National Day of Mourning.
48th martyrdom anniversary of Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman
On this day in 1975, the anti-independence and Pakistani brokers brutally killed the great architect of independence Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, the greatest Bengali father of the nation, in his own family. Daffodil International College pays tribute to Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman and all the martyrs of his family on this day.